• search

ডেঙ্গির চিকিৎসায় ফের অমানবিকতা, এবার অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এই হাসপাতাল

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    নয়ডার ফর্টিস হাসপাতালের পর এবার গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতাল। ডেঙ্গি আক্রান্তের চিকিৎসায় প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা বিল করার অভিযোগে সরকারের নজরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    ডেঙ্গির চিকিৎসায় ফের অমানবিকতা,অভিযুক্ত গুরুগ্রামের হাসপাতাল

    ৮ বছরের ডেঙ্গি আক্রান্ত বালকের ২১ দিনের চিকিৎসায় ১৫. ৮৮ লক্ষ টাকা বিল ধরানো হয়। যদিও সেই বালককে বাঁচানো যায়নি।

    সংবাদ মাধ্যমকে ওই বালকের বাবা জানিয়েছেন, তাঁর সন্তান ২১ দিন সেই হাসপাতালে ভর্তি ছিল। ছেলের মৃত্যুর পর হাসপাতাল বিল ধরিয়েছে ১৫.৮৮ লক্ষ টাকা। টাকা মেটাতে সাধারণ মানুষের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। চিকিৎসার নামে হাসপাতাল লুঠ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

    বিষয়টি নিয়ে গুরুগ্রামের সদর পুলিশ থানায় একটি অভিযোগও দায়ের হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এমনটাই জানিয়েছেন গুরুগ্রাম পুলিশের পিআরও।

    আরও অভিযোগ, বালকের চিকিৎসায় যখন কিছু করা যাবে না, এটা বুঝতে পেরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বালককে অন্য হাসপাতালে রেফার করে। পরিবারের অভিযোগ, বালককে সরকারি হাসপাতালে পাঠাতে বাধ্য করে ওই বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    এর আগে একইরকমের ঘটনা ঘটেছিল নয়ডায়। ডেঙ্গির চিকিৎসায় ১৬ লক্ষ টাকা বিল করার অভিযোগ উঠেছিল নয়ডার ফর্টিস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। সেবারও চিকিৎসারতকে বাঁচাতে পারেনি ওই বেসরকারি হাসপাতাল।

    English summary
    Medanta hospital in Gurugram in controversy for billing a dengi patient over 16 lakhs.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more