নাগা শ্রমিকদের হাতে থাকা হান্টিং রাইফেলই ধোঁয়াশায় ফেলে দেয় জওয়ানদের! মত সেনাকর্তাদের
নাগাল্যান্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে দেশজুড়ে বিতর্ক। চরম চাপে বিজেপি সরকার। বিরোধীদের তরফে ঘটনার বিবৃতি দাবি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তরফে। ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। রবিবার এই ঘটনা সামনে
নাগাল্যান্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে দেশজুড়ে বিতর্ক। চরম চাপে বিজেপি সরকার। বিরোধীদের তরফে ঘটনার বিবৃতি দাবি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তরফে। ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। রবিবার এই ঘটনা সামনে আসার পর সেনার তরফে ক্ষমা চাওয়া হয়।

শুধু তাই নয়, উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর এরপরেই নাগাল্যান্ডের ঘটনার তদন্ত শুরু করে দেওয়া হল সেনাবাহিনীর তরফে।
ভারতীয় সেনার তিন অফিসার এই গুলি চালানোর ঘটনার তদন্তে রয়েছে। মেজর-জেনারেল র্যাংকের এক অফিসারের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের এই তদন্ত শুরু হয়েছে। রবিবার ঘটনার প্রকাশ্যে আসার পরেই মৃত্যু ঘিরে একাধিক ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। তবে জানা যাচ্ছে, নাগাল্যান্ডের ঘটনায় মোট ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ১৪ জন সাধারণ গ্রামবাসী এবং একজন সেনা জওয়ান।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক অফিসার ইন্ডিয়া টুডে'কে জানিয়েছেন, যখন সেনার তরফে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল সেই সময়ে ওই সমস্ত নাগা শ্রমিকদের হাতে রহস্যজনক অস্ত্র দেখা যায়। আর এর ফলে সেনার সন্দেহ তীব্র হয়। আর জঙ্গি সন্দেহেই এই গুলি চলে বলে দাবি ওই সেনা কর্তার।
সেনার গুলিতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছয় কোল শ্রমিকের। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনা ঘটে মন জেলার ওটিং এবং টুরি গ্রামে। এরপরেই উত্তেজিত হয়ে ওঠে গ্রামের মানুষজন। রণক্ষেত্রের আকার নেয়। সেই সময়ে ফের একবার গুলি চালায় সেনাবাহিনী। আর তাতে আরও ছয় সাধারন মানুষের মৃত্যু হয়। যদিও এই ঘটনার পর বহু মানুষের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছিল।
কিন্তু আজ সোমবার সকালে সরকারি ভাবে জানানো হয় যে, এই ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এক জওয়ান মারা গিয়েছে। ঘটনার পরেই ওই সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, তদন্তকারী আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুরো ঘটনার পূর্ণাং তদন্ত শুরু করেছেন।
ওই সেনাকর্তা সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ওই এলাকাতে খাপলাং জঙ্গি গোষ্ঠীর কিছু মুভমেন্ট হতে পারে। এমনটাই গোয়েন্দা মারফৎ খবর ছিল সেনার কাছে। আর এরপরেই সেনার তরফে নাগাল্যান্ডের বিভিন্ন অংশে টহলদারি বাড়ানো হয়েছিল। সেই মতো তল্লাশি চলছিল। কিন্তু সেনার র্যাডারে বেশ কিছু রহস্যজনক বস্তু ধরা পড়ে। যা মুলত সেখানকার যুবকরা হান্টিং রাইফেল হিসাবে ব্যবহার করে।
আর সেটাই মুলত গন্ডোগলের সুত্রপাত বলে মনে করছেন ওই সেনা কর্তারা। কারন অসম থেকে নিয়ে নাগাল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই সেনা জওয়ানদের। আর তা বুঝতে না পেরেই গুলি বলে দাবি ওই সেনাকর্তার। যদিও তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব শিঘ্রই কেন গুলি তা স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সেনা কর্তা।












Click it and Unblock the Notifications