বধূকে শ্বশুরবাড়িতে গণধর্ষণ, গ্রেফতার তিন, বাকিরা পলাতক

দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলির বাসিন্দা ওই তরুণী চাকরির সুবাদে কয়েক বছর আগে শিলিগুড়িতে আসেন। এখানেই পরিচয় হয় মহম্মদ দিলওয়ারের সঙ্গে। পরিচয় থেকে প্রণয়, প্রণয় থেকে পরিণয়। গত বছর ১ নভেম্বর তাদের বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের পরপরই স্বামীর আপত্তিতে চাকরি ছাড়েন ওই বধূ। তার পরই শুরু হয় দুর্ব্যবহার। একদিন স্বামীর উপস্থিতিতেই বধূর ভাশুর তাঁকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনা জানলেও শাশুড়ি এবং দুই জা বরং বাকিদেরও ধর্ষণ করতে প্ররোচনা দেয়। ফলে গত ছ'মাস ধরে দুই ভাশুর, দুই দেওর এবং বধূর ননদাই বারবার তাঁকে ধর্ষণ করে। অভিযোগ, স্বামীর বন্ধুরা বাড়িতে প্রায়শই বাড়িতে আড্ডা জমাত এবং সেই অছিলায় ওই বধূকে গণধর্ষণ করত। কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয়েছিল।
এদিকে, গত বুধবার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে তিনি পালিয়ে গিয়ে থানায় অভিযোগ জানান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই মহিলাকে নিয়ে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে হানা দেয়। শাশুড়ি, জা ও এক ভাশুরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিরা পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
দার্জিলিং জেলা লিগাল এইড ফোরামের সম্পাদক অমিত সরকার বলেন, ঘটনাটি খুবই বেদনাদায়ক। তবে ওই মহিলার সপক্ষে তাঁরা বিনা খরচে মামলা লড়বেন আদালতে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শারীরিক ও মানসিকভাবে মহিলা একদম ভেঙে পড়েছেন। তাই তাঁর দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা দরকার।
আশরফনগরে দিলওয়ারদের তেমন সুনাম নেই। মহম্মদ দিলওয়ারের বাবা প্রতিবন্ধী। বাকি ভাইরা কেউই আর্থিকভাবে তেমন প্রতিষ্ঠিত নয়। টুকটাক কাজ করে সংসার চলে। কয়েক বছর আগে মাদক সেবন করে এলাকায় গণ্ডগোল পাকিয়েছিল সে।












Click it and Unblock the Notifications