• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

জিনের ছন্দপতনেই ব্যাঘাত ঘটছে রোগ প্রতিরোধে! আরও প্রাণঘাতী হচ্ছে করোনার থাবা?

  • |

ইতিমধ্যেই প্রথম করোনা সংক্রমণের পর ৯ মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখা নেই সঠিক কোনও কার্যকরী ভ্যাকসিনের। এরইমধ্যে এতদিন অ্যান্টিবডিকেই করোনার দাওয়াই হিসেবে কাজে লাগানোর চেষ্টায় ছিলেন বিশ্বের তাবড় তাবড় গবেষকরা। যদিও সম্প্রতি 'সায়েন্স' পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যে চক্ষু চড়কগাছ চিকিৎসকদের। দেখা যাচ্ছে শরীরের জিন ও অ্যান্টিবডির খামখেয়ালিতে সমস্যায় পড়েছেন স্বয়ং রোগীই।

অ্যান্টিবডি ও জিনের সমস্যা কিরকম?

অ্যান্টিবডি ও জিনের সমস্যা কিরকম?

গবেষকদের তথ্য বলছে, মারাত্মক কোভিড সংক্রমণের কবলে পড়া অল্পবয়সী রোগীর ১০%-এর শরীরে ভাইরাসের বদলে শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেই আক্রমণ করে বসছে কিছু অ্যান্টিবডি। অন্যদিকে ৩.৫%-এর শরীরে জিনগত সমস্যার জেরে জেঁকে বসছে কোভিড। তথ্য বলছে, দুই ধরনের রোগীর দেহেই 'আই ইন্টারফেরন' নামক ১৭টি প্রোটিনের সম্মেলন অমিল। বিজ্ঞানীরা বলছেন, রোগ প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি প্ৰস্তুত হওয়ার আগেই এই প্রোটিনগুলি প্রাথমিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে দেহকে ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে।

বয়স ভেদে কোভিডের আক্রমণের হেরফের বুঝতে এই গবেষণা

বয়স ভেদে কোভিডের আক্রমণের হেরফের বুঝতে এই গবেষণা

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের বয়সের সাথে কোভিড আক্রমণের তারতম্য বুঝতে সাহায্য করবে এই গবেষণা। তাছাড়া করোনায় মহিলাদের থেকেও পুরুষদের মৃত্যুহার বেশি কেন, তার উত্তর পাওয়া যাবে এই গবেষণায়। এই গবেষক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন-লরেন্ট ক্যাসানোভা। ক্যাসানোভার মতে, " এই তথ্য সামনে আসার পর এইবার অন্তত কোভিডের প্রতিষেধক তৈরির গবেষণায় ইন্টারফেরনের অভাবকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।" গবেষণায় সিঙ্গল-জিন মিউটেশনের ব্যাপারটিও উঠে এসেছে।

উপসর্গযুক্ত ও উপসর্গহীন রোগীদের আলাদা করেই গবেষণা

উপসর্গযুক্ত ও উপসর্গহীন রোগীদের আলাদা করেই গবেষণা

এই গবেষণা প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, উপসর্গযুক্ত রোগীদের পাশাপাশি প্রায় ৫৩০ জন উপসর্গহীন রোগীর নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার তথ্য বলছে, মারাত্মকভাবে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের শরীরে ১৩টি জিনের মধ্যে সামান্য পার্থক্য দেখা গেছে। তাছাড়া ৩%-এর শরীরে গুরুত্বপূর্ণ রোগ প্রতিরোধী জিনের অস্তিত্ব মেলেনি। বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে, যেসকল রোগীর দেহে মিউটেশন জিন রয়েছে, তাঁদের দেহও ইন্টারফেরন প্রস্তুতিতে বাধা দিচ্ছে ফাইব্রোব্লাস্ট কোষ।

জিন প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেই আক্রমণ করছে অ্যান্টিবডি

জিন প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেই আক্রমণ করছে অ্যান্টিবডি

গবেষকরা জানাচ্ছেন, কোভিড-নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ৯৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, প্রায় ১০%-এর শরীরে অটো-অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে ইন্টারফেরনকেই আক্রমণ করছে। পাশাপাশি সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, এঁদের প্রায় ৯৫%-ই পুরুষ। জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে রোগীর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার শুরুতেই ইন্টারফেরনের ক্ষমতা খর্ব করেছে অ্যান্টিবডি। যদিও ক্যাসানোভা জানাচ্ছেন, "অসংলগ্নভাবে নির্বাচিত প্রতি ১,২২৭ জনের মধ্যে মাত্র ৪ জনের শরীরে জিনের এই খামখেয়ালি ধরা পড়েছে।" বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই গবেষণার জেরে করোনা রোগীর শরীরে দুরারোগ্য ভাইরাল হেপাটাইটিস প্রতিষেধকের ব্যবহার বাড়ানো যাবে।

কলকাতা : কৃষি বিলের পক্ষে সওয়াল করে এবার ২৮ তারিখ থেকে লাগাতার প্রচারে নামছে বিজেপি

প্রকাশ্যে একাধিক বলিউড অভিনেত্রীর পুরনো চ্যাট! কতটা নিরাপদে রয়েছে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ?

English summary
There is no trust in antibodies! More deadly corona infection? Exciting data in new research
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X