• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

সদ্যজাত সন্তান মেয়ে হয়েছে দেখে আত্মহত্যা যুবকের

  • |

সুরাত, ২৪ ফেব্রুয়ারি : গুজরাতের সুরাতের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী এক যুবক নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছেন। কারণ তাঁর স্ত্রী কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, মৃত যুবক পুত্র সন্তানের কামনা করেছিলেন। তা না হওয়াতেই নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছেন এই যুবক।

যদিও পরিবারের লোকের কথাকে পাশে সরিয়ে রেখে পুলিশ নিজের মতো করে তদন্ত চালাচ্ছে। ঠিক কি কারণে সদ্য পিতৃত্বের স্বাদ পাওয়া অমিত সাহানির মৃত্যু হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সদ্যজাত সন্তান মেয়ে হয়েছে দেখে আত্মহত্যা যুবকের

অমিতের বাড়ি মোরা গ্রামে। বুধবার নিজের বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিউ সিভিল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে। সেই হাসপাতালেই যুবকের স্ত্রী সদ্য কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়ে ভর্তি রয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বাড়িতে স্ত্রীর শাড়ি গলায় জড়িয়ে সিলিং ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন অমিত। সেইসংময়ে বাড়ির সকলে হাসপাতালে সদ্যজাতকে দেখতে গিয়েছিল।

পেশায় ঠিকাকর্মী অমিত মঙ্গলবার হাসপাতালে মেয়ের জন্মের খবর পেয়ে স্ত্রীর কাছে ছিল। পরে বুধবার বাড়ি ফুরে আসে। এদিকে বাড়ির লোকেরা সেদিন হাসপাতালে সদ্যজাত কন্যাকে দেখতে গেলে অমিত নিজেকে শেষ করে দিয়েছে।

English summary
A 25-year-old crane operator ended his life in Gujarat on Wednesday within a day of becoming father of a girl child. Family members told police that the deceased expected a boy and was disappointed with the birth of a girl child and thus took the extreme step.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more