• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

৫০ বছর লিভ-ইন করার পরে বিয়ে করলেন ভারতের এই রাজ্যের বৃদ্ধ দম্পতি

লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে ভারতের মতো উপমহাদেশে এখনও ছুৎমার্গ রয়েছে। বিয়ে না করে কেউ একসঙ্গে রয়েছে শুনলেই সমাজ এখনও বাঁকা নজরে দেখে, ভ্রু উঁচিয়ে তাকায়। তবে মধ্যপ্রদেশের এক দম্পতি যা করেছেন তাকে বাহবা না দিয়ে পারা যায় না।

দেশের সবচেয়ে পুরনো কাপল হিসাবে বিগত ৩০ বছর ধরে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন, এমনটা দাবি করাটা বোধহয় খুব একটা অত্যুক্তি হবে না মধ্যপ্রদেশের সুখে সাগর কুশওয়াহা ও হরিয়ার ক্ষেত্রে।

৫০ বছর লিভ-ইন করার পরে বিয়ে করলেন এই রাজ্যের বৃদ্ধ দম্পতি

তাদের দুই মেয়ে ও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সংসার করার পরে ৮০ বছরের সুখে কুশওয়াহা ও ৭৫ বছরের হরিয়া গত শুক্রবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের তিকমগড় জেলার ছোট্ট গ্রাম পাইতপুরার বাসিন্দা এই দম্পতি।

গত শুক্রবার ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি ও পরিবারের বাকী আত্মীয়দের উপস্থিতিতে বাজনা বাজিয়ে অতিথিদের সামনে দুজনে মালাবদল করেছেন। তবে কেন এতবছর পরে হঠাৎ বিয়ের আসর বসানো হল? মৃত্যুর পর মোক্ষ লাভ করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

আত্মীয়রা জানিয়েছেন, পঞ্চাশ বছর আগে সুখে ও হরিয়া একে অপরের প্রেমে পড়েন। তবে সম্পর্ক পরিবার মেনে নেয়নি। আর বিয়েও করতে দেয়নি। তাই জোর করে বিয়ে না করলেও লিভ ইন করতে শুরু করেন দুজনে। তারপর এত দীর্ঘ বছর একসঙ্গেই থেকেছেন। আলাদা করে বিয়ের প্রয়োজন বোধ করেননি।

তবে সম্প্রতি বৃদ্ধ সুখে বড় ছেলে মুন্নাকে মনে কথা বলেন। তিনি জানান, ভগবান তাদের সব দিয়েছে। তবে যেহেতু তিনি বিয়ে করেননি তাই মৃত্যুর পর মোক্ষ লাভ করতে পারবেন না। আর এরপরই পরিবার উদ্যোগ নিয়ে দম্পতির বিয়ের ব্যবস্থা করেছে।

English summary
Madhya Pradesh : Old live-in couple of 50 years marries for moksha
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more