• search

লাভ জেহাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন, বাবার ছবি হাতে খুনির ফাঁসির দাবি, দেখে নিন কী বলছে মেয়ে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বাবার ছবি হাতে মেয়েদের দাবি খুনির ফাঁসি চাই। লাভ জেহাদের নামে রাজস্থানে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে এরাজ্যের বাসিন্দা আফরাজুল খানকে। মূল অভিযুক্ত শম্ভুলাল রেগারের শাস্তির দাবি উঠেছে মালদার গ্রামে।

    লাভ জেহাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন, বাবার ছবি হাতে খুনির ফাঁসির দাবি মেয়েদের

    [আরও পড়ুন:বিজেপি শাসিত রাজস্থানে এরাজ্যের মধ্য বয়সীকে কুপিয়ে-জ্বালিয়ে খুন]

    মালদহের কালিয়াচকের সৈয়দপুরের শেখ পাড়া। এখানকারই বাসিন্দা আফরাজুল খান। গত বছর কুড়ি ধরে রাজস্থানে শ্রমিকের কাজ করতেন বছর ছেচল্লিশের আফরাজুল। বাড়ির দাবি সম্প্রতি কাজ করছিলেন কাকরোলি গ্রামে।

    পরিবারের দাবি ব্যাঙ্কে টাকা জমা দিতে যাওয়ার সময় হত্যার ঘটনাটি ঘটে। সেই সময় আফরাজুলের কাছে ৫০ হাজার টাকা ছিল বলে দাবি পরিবারের। রাস্তা দেখানোর নাম করে আফরাজুলকে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।

    পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিলেন আফরাজুল খান। বাড়িতে এক অবিবাহিত মেয়ে হাবিবা খাতুন ছাড়াও রয়েছেন বাবা হাফিজুদ্দিন খান এব স্ত্রী গুলফার বিবি। দুই মেয়ে যশনারা, রেজিনার বিয়ে হয়ে গিয়েছে।

    লাভ জেহাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন, বাবার ছবি হাতে খুনির ফাঁসির দাবি মেয়েদের

    [আরও পড়ুন:রাজস্থানের 'লাভ জিহাদ' -এর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়, উঠে আসছে ত্রিকোণ প্রেম ,সহবাসের তত্ত্ব ]

    তবে লাভ জিহাদের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে আফরাজুলের পরিবার। অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা বলে দাবি পরিবারের। কেননা তাঁদের পরিবারের একাধিক সদস্য রাজস্থানে শ্রমিকের কাজ করে। তাঁদের কাছ থেকে বাবার সম্পর্কে কোনও দিনও কোনও অভিযোগ তাঁরা পাননি বলেই দাবি মেয়ে রেজিনার।

    একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুতে অসহায় অবস্থা পরিবারের। সরকারের কাছে সাহায্যের দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    English summary
    Love jihad allegation against her father is totally baseless, claimed daughter in Maldah. Afrajul Khan was brutally murdered in Rajasthan.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more