• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

‌ফিরে দেখা ২০১৯ : সুপ্রিম কোর্টের পাঁচটি ঐতিহাসিক রায় যা সাড়া ফেলে দিয়েছে

বিদায় জানাতে চলেছে ২০১৯ সাল। তবে এই সালটি বহুদিন পর্যন্ত মানুষের মনে দাগ কেটে রাখবে। কারণ এ বছরই দেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর রায়দান করেছে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট। এ বছরেই দেশের মুখ্য বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের মেয়াদ শেষ হয় এবং নতুন মুখ্য বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব নেন বিচারপতি এসএ বোবদে। তবে প্রাক্তন মুখ্য বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের আমলে দশকের পর দশক ধরে চলা অযোধ্যা মামলা থেকে শুরু করে শবরীমালার পুর্নবিবেচনা সবেরই মীমাংসা হয়েছে। বছরের পাঁচটি সেরা সুপ্রিম কোর্টের রায় এবার দেখে নেওয়া যাক।

অযোধ্যা মামলা

অযোধ্যা মামলা

দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘতম মামলা, যা রাজনৈতিক তরজা ক্রমেই বাড়িয়ে তুলছিল, সেই অযোধ্যা-বাবরি মসজিদ বিতর্কিত জমির মামলার ঐতিহাসিক রায় শোনালো সুপ্রিম কোর্ট। এ বছরের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট বিতর্কিত ২.‌৭৭ একর জমি হিন্দুদের মালিকানায় দেয় এবং এই জমিতে রাম মন্দির গড়ে তোলার নির্দেশ দেয়। এর পাশাপাশি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকেও পাঁচ একর জমি মসজিদের জন্য দেওয়া হয়। মুখ্য বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেন যে এই বিতর্কিত জমিটি হিন্দুদেরই দেওয়া উচিত এবং কেন্দ্র সরকারকে মন্দির নির্মাণের জন্য ট্রাস্ট গঠন করতে বলা হয়।

শবরীমালা রায়ের পুর্নবিবেচনার আবেদন

শবরীমালা রায়ের পুর্নবিবেচনার আবেদন

সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ ঐক্যমত হয়নি। ফলে শবরীমালা মন্দিরে যে কোনও বয়সের মহিলাদের প্রবেশাধিকার নিয়ে আপাতত কোনও রায় দেয়নি শীর্ষ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চ। গত ১৪ নভেম্বর মামলাটি পাঠানো হয় শীর্ষ আদালতের বৃহত্তর বেঞ্চে। সেখানে ৭ বিচারপতির তত্ত্বাবধানে এই মামলার রায়দান হবে। এই নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চ। ফলে আপাতত ঝুলেই রইলো কেরলের শবরীমালায় যে কোনও বয়সের মহিলাদের অবাধে প্রবেশাধিকারের বিষয়টি। সাংবিধানিক বেঞ্চের সদস্য বিচারপতি চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি ফলি নারিমান ভিন্নমত পোষন করেন। তাঁরা ২০১৮ সালের শবরীমালা সংক্রান্ত রায়টিই বহাল রাখার বিষয়ে মত দেন।

রাফাল পুর্নবিবেচনার আবেদন

রাফাল পুর্নবিবেচনার আবেদন

১৪ নভেম্বর দেশের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বে নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ খারিজ করে রাফাল মামলার পুনর্বিবেচনার রায়। রাফাল যুদ্ধ বিমান চুক্তি নিয়ে আরও তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানায় সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে পুর্নবিবেচনার আবেদনে ভিত্তিতে অভাব রয়েছে। এই মর্মে এফআইআরও খারিজ করে দেশের শীর্ষ আদালত এবং বিজেপি সরকারকে স্বস্তি দেয়। প্রসঙ্গত, ফ্রান্সের দাসোঁ এভিয়েশনের কাছ থেকে কেনা রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। সিবিআই তদন্তের দাবি করে মামলা দায়ের করা হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর সেই আর্জি খারিজ করে কেন্দ্রকে ‘ক্লিন চিট' দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই রায় পুনর্বিবেচনার দাবি করে এ বছরের ১০ মে রিট পিটিশন দাখিল করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশোবন্ত সিনহা, অরুণ শৌরি এবং আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ এবং আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় সিং।

রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে অবমাননার মামলা

রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে অবমাননার মামলা

গত ১৪ নভেম্বর রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে বিজেপি নেত্রী মীনাক্ষী লেখির করা আদালত অবমাননার মামলা খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট এবং ভবিষ্যতে সতর্ক থাকতে বলা হয় রাহুল গান্ধীকে। ২০১৮ সালের শেষ দিকে রাফাল মামলার রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তারপরে তাই নিয়ে পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানো হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে কিছু নথি পেশ হলে কেন্দ্র তা নিয়ে আপত্তি জানায়। যা সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল। সেই ঘটনার সূত্র ধরে গত ১০ এপ্রিল রাহুল গান্ধী সুপ্রিম কোর্টকে উদ্ধৃত করে বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টও মেনে নিয়েছে যে ‘চৌকিদার চোর হ্যায়'। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের নাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। এরপরই বিজেপি নেত্রী তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেন। এর আগেই অবশ্য প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন রাহুল।

মুখ্য বিচারপতির দপ্তর তথ্য জানার অধিকারের আওতায়

মুখ্য বিচারপতির দপ্তর তথ্য জানার অধিকারের আওতায়

আরও এক ঐতিহাসিক রায় দেওয়া হয় ১৩ নভেম্বর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তথ্য জানার অধিকারের আওতায় ঢুকে পড়ে দেশের প্রধান বিচারপতির অফিসও। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেয়। তবে প্রধান বিচারপতির অফিসের যে কোনও তথ্যই যে এর আওতায় আসবে না, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। দেশের প্রধান বিচারপতির অফিস পাবলিক অথরিটির আওতায় পড়ে এবং তথ্য জানার অধিকার আইন এর ওপরে কার্যকর বলে ১৩ নভেম্বর রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ছাড়া ডিভিশন বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন বিচারপতি এনভি রামান্না, বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি দীপক গুপ্তা, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না।

২০১৯ ফিরে দেখা: কোন 'বিজনেস টাইকুন'রা ছিলেন গোটা বছর খবরে

BBC

English summary
From decade-old Ayodhya land dispute case to Sabarimala review, here are 5 landmark judgments by the SC.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more