লকডাউনের পথে মুম্বই? কোভিড পরিস্থিতিতে বেশ কিছু বিধি নিষেধ নিয়ে কড়া হলেন মেয়র
লকডাউনের পথে মুম্বই? কোভিড পরিস্থিতিতে বেশ কিছু বিধি নিষেধ নিয়ে কড়া হলেন মেয়র
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের দল মহারাষ্ট্র সরকারকে জানিয়েছে যে রাজ্যে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় আংশিক লকডাউন যেমন ঘোষণা করা হয়েছে তেমনি রাত্রিকালীন কার্ফু জারি করা হয়েছে। তবে মুম্বইয়ে তা এখনও জারি করা হয়নি। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যনগরীর মেয়র কিশোরী পেডনেকার জানিয়েছেন যে এখনি রাত্রীকালীন কার্ফু জারি করা খুব প্রয়োজন।

লকডাউন প্রতিরোধ
পেডনেকার জানিয়েছেন যে ভিড়বহুল বাজারকে অন্যত্র স্থানান্তর করার চিন্তাভাবনা করছে প্রশাসন। তিনি বলেন, 'লকডাউন কার্যকর প্রতিরোধ করতে সমস্ত মুম্বইবাসীকে একযোগে কাজ করতে হবে।'

একদিনে আক্রান্ত ২৩,১৭৯ জন
বুধবারই মহারাষ্ট্রে নতুন করে ২৩,১৭৯ জন মানুষের করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। রাজ্যে একদিনে ৮৪ জনের মৃত্যু মোট মৃত্যুর সংখ্যাকে নিয়ে গিয়েছে ৫৩,০৮০-তে। একদিনে ৩,৩৭০টি করোনা কেস নিয়ে নাগপুরের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। এই জেলায় ১৬ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১,২১৬ জন। মুম্বইয়ে দৈনিক করোনা কেসের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২,৩৭৭-এ দাঁড়িয়েছে, যা গত বছর অক্টোবরের পর এই প্রথম। গত বছর ৮ অক্টোবর দৈনিক করোনা কেসের সংখ্যা ছিল ২,৮২৩।

মুম্বইয়ে জুহু বিচ বন্ধের দাবি
বিশেষ করে বিদর্ভ এলাকার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। এছাড়াও নাগপুর, অমরাবতী ডিভিশনেরও খুব খারাপ অবস্থা। মুম্বই ও পুনেতেও দৈনিক করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলার হটস্পট হয়ে উঠেছে নাগপুর। শনি ও রবিবার জুহু বিচ বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক অমিত সাতাম। বিচে গিয়ে কোনও মানুষ করোনা বিধি মানছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিজেপির দাবি, শুক্র থেকে রবিবার বন্ধ রাখা হোক বিচ।

দ্বিতীয় ওয়েভ মহারাষ্ট্রে
গত সপ্তাহে, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে রাজ্যবাসীকে সতর্ক করে জানিয়েছিলেন যে তাঁকে যেন রাজ্যজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করার জন্য বাধ্য না করা হয়। মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাস মহামারির এটা দ্বিতীয় ওয়েভ মানছেন বিশেষজ্ঞরা ৷ রিপোর্ট অনুযায়ি মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় দফার দাপট শুরু হয়েছে ৷ এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে চিঠিও লিখেছেন ৷ রাজ্যের খারাপ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গত সপ্তাহে সেখানে কেন্দ্র থেকে দল গিয়েছিল ৷ এই দলের থেকে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতেই স্বাস্থ্যসচিব চিঠি লেখেন ৷ রাজ্যের গাফিলতি ও হঠকারিতাকে দোষ দেওয়া হয় ৷ তারা জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে রাজ্যকে আরও সচেতন ও কৌশলগত পদক্ষেপ করতে হবে ৷












Click it and Unblock the Notifications