• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

আসুন জেনে নেওয়া যাক পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য এক দেশ এক রেশন কার্ড স্কিমটি কি

'‌আত্ম নির্ভর ভারত’‌ স্কিমের ২০ লক্ষ কোটি টাকা ঘোষণার দ্বিতীয় পর্যায়ের আর্থিক প্যাকেজ ঘোষিত হয় বৃহস্পতিবার। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এদিন '‌এক দেশ এক রেশনকার্ড’‌ স্কিম ঘোষণা করেছেন, যা গোটা দেশে কার্যকর হবে। এই স্কিমের লক্ষ্যই হল যাতে পরিযায়ী শ্রমিকরা সহজেই দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে রেশনের খাদ্য পেতে সক্ষম হন। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে ২০২০ সালের আগস্টের মধ্যে ২৩ টি রাজ্যের ৬৭ কোটি সুবিধাভোগী উপকৃত হবে এই স্কিমের জন্য। এই '‌একটি দেশ একটি রেশন কার্ড’‌ এই স্কিমটি আসলে কি?‌

এক দেশ এক রেশন কার্ড স্কিম

এক দেশ এক রেশন কার্ড স্কিম

সারা দেশের রেশনকার্ডকে সহজ করার উদ্দেশ্যে এই স্কিম তৈরি হয়েছে। যাতে বিভিন্ন রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকরা দেশের যে কোনও রাজ্যে থেকেও ন্যায্যমূল্যের দোকান থেকে খাদ্যশষ্য নিতে পারবেন, তার জন্য তাঁদের নতুন কার্ডের দরকার পড়বে না। অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন যে ২০২১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে রেশন কার্ডগুলিকে ১০০ শতাংশ জাতীয় বহনযোগ্য করে গড়ে তোলা হবে। গত বছরের জুন মাসে এই স্কিমটি ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সময় সরকার জানিয়েছিল যে যোগ্য সুবিধাভোগীরা জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন (এনএফএসএ) এর অধীনে দেশের যে কোনও ন্যায্য মূল্যের দোকান থেকে তাদের অধিকারযুক্ত খাদ্যশস্য নিতে সক্ষম হবেন। এখনও পর্যন্ত এক ব্যক্তি রাজ্য থেকে রেশন কার্ডের বিনিময়ে খাদ্যশষ্য পেতে সক্ষম হন। অন্য রাজ্যে যাওয়ার অর্থ হল নতুন করে রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করা যাতে সেই রাজ্য থেকে খাদ্যশষ্য পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার ঘোষণা হওয়া এই স্কিমের লক্ষ্যই হল পরিযায়ী শ্রমিকদের সুবিধা দেওয়া, যাঁরা প্রায়ই কাজের খোঁজে ও জীবিকা নির্বাহের জন্য অন্য রাজ্যে যান।

এক দেশ এক রেশন কার্ড ১ জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হওয়ার কথা

এক দেশ এক রেশন কার্ড ১ জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হওয়ার কথা

এর পাশাপাশি এটাও লক্ষণীয় যে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক উপার্জনের অভাবে, খাদ্যের অনিশ্চয়তা এবং যে রাজ্যে তাঁরা কাজ করতেন সেই কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বাড়ি ফিরে এসেছেন। অপর্যাপ্ত পরিকল্পনা ও সরকারের দেরি করে যান ব্যবস্থা চালু করার জন্য এঁদের মধ্যে অনেকেই হেঁটেই বাড়ি ফিরেছেন। সরকার সেই সময় জানিয়েছিল যে তারা ২০২০ সালের ১ জুন থেকে দেশব্যাপী এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে চায়। এখনও পর্যন্ত ১৭টি রাজ্যের সঙ্গে এই স্কিমটি সমন্বিত হয়েছে। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি অন্ধ্র প্রদেশ, গোয়া, গুজরাত, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, কেরল, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, তেলেঙ্গনা ও ত্রিপুরাতে এই স্কিমটি যোগ হয়েছে। মে মাসে এই স্কিমটি বাস্তবায়িত হবে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ ও দমন-দিউতে।

নতুন রেশন কার্ডের বিন্যাস তৈরি হয় গত বছর

নতুন রেশন কার্ডের বিন্যাস তৈরি হয় গত বছর

গত বছর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নতুন রেশন কার্ডের বিন্যাস তৈরি করা হয়েছিল এবং প্রত্যেক রাজ্য সরকারকে সেই বিন্যাস অনুসরণ করে নতুন রেশন কার্ড দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। যদিও সরকার এর পাশাপাশি এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে জানিয়েছিল যে পুরনো রেশন কার্ড সারা দেশে বৈধ থাকবে। নতুন কার্ডের বিন্যাসে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্যকে বলা হয়েছিল যে তা যেন বাই-লিঙ্গুয়াল বিন্যাসে তৈরি হয়। যার অর্থ হল রেশন কার্ডধারীর নাম আঞ্চলিক ভাষা ও হিন্দি বা ইংলিশ অথবা অন্য কোনও ভাষায় লেখা থাকবে। এর পাশাপাশি কেন্দ্র রাজ্যকে এও জানিয়েছিল যে নতুন রেশন কার্ডে ১০ সংখ্যার নম্বর থাকবে যার মধ্যে প্রথম দুটো সংখ্যা রাজ্যের পিনকোডকে প্রতিনিধিত্ব করবে। এই ধারণার মধ্য দিয়ে প্রত্যেক পরিবারের জন্য অনন্য সদস্য আইডি তৈরি করা হয়।

রেশন কার্ডের সঙ্গে আঘার সংযুক্তি করলে সুবিধা মিলবে

রেশন কার্ডের সঙ্গে আঘার সংযুক্তি করলে সুবিধা মিলবে

এই সহজতম রেশনকার্ডের পেছনে টেকনোলজি ড্রাইভেন পদ্ধতির বিষয়ে অর্থ সচিব অজয় ভূষণ বিস্তাবিতভাবে বলতে গিয়ে জানান প্রত্যেক রেশন কার্ড, পরিবারের সদস্যদের আধার নম্বরের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, ‘‌এটা তাদের সুবিধা দেবে। পরিবারের এক সদস্য অন্য রাজ্যে থাকেন, কিন্তু আধার কার্ডের মাধ্যমে তিনি তাঁর বরাদ্দ রেশন তুলতে পারবেন, যা কোনও পরিবার এখনও পর্যন্ত এটি করতে পারেনি।'‌

আধার–রেশন যোগের জন্ম ২০১১ সালে

আধার–রেশন যোগের জন্ম ২০১১ সালে

২০১১ সালে টাস্ক ফোর্সের প্রধান নন্দন নীলকানি পিডিএসের সুবিধাগুলি সহজ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। যিনি একটি পরবর্তী প্রজন্মের জাতীয় গণ বিতরণ পদ্ধতির জন্য কৌশল তৈরি করেছিলেন। এই কমিটির কৌশল ছিল পিডিএস নেটওয়ার্ককে আরও মজবুত করা এবং রেশন কার্ডের সঙ্গে আধারের সংযুক্তিকরণ ঘটলে পিডিএস পদ্ধতি আরও সহজতর হয়ে যাবে এবং অর্থপ্রদানেও সুবিধা পাওয়া যাবে

খাদ্য ও বাসের দাবিতে মধ্যপ্রদেশ-মহারাষ্ট্র সীমান্তে পাথর নিক্ষেপ অভিবাসী শ্রমিকদের

English summary
Finance Minister Nirmala Sitharaman today announced the 'One Country One Ration Card' scheme, which will be implemented across the country. The aim of this scheme is to enable migrant workers to easily get food from any part of the country,
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X