লাদাখে কি ভারতীয় 'কোভার্ট ইউনিট'ও চিনকে চোখ রাঙাচ্ছে! এক সেনা জওয়ানের বিস্ফোরণে মৃত্যু ঘিরে রহস্য
৫৩ বছরের তেনজিন নইমার মৃত্যু ঘিরে রীতিমতো জল্পনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। লাদাখে চিনকে দ্বিতীয়বার দুরমুশ করতেই ভারত সেখানের স্ট্র্যাটেজিক চূড়াগুলিতে দাপট দেখাতে শুরু করে দিয়েছে।
৫৩ বছরের তেনজিন নইমার মৃত্যু ঘিরে রীতিমতো জল্পনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। লাদাখে চিনকে দ্বিতীয়বার দুরমুশ করতেই ভারত সেখানের স্ট্র্যাটেজিক চূড়াগুলিতে দাপট দেখাতে শুরু করে দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে লাদাখে ভারতীয় সেনার ওই তিব্বতী সদস্য তেনজিন নইমার মৃত্যু ঘিরে 'কোভার্ট অপারেশন' এর জল্পনা চড়ছে।

মৃত্যু ও রহস্য
জানা গিয়েছে লাদাখে প্যানগং লেকের কাছে একটি বিস্ফোরণে ৫৩ বছরের সেনা জওয়ান তেনজিনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর সঙ্গে ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও এক কমান্ডো আহত হন বলে খবর। সংবাদমসংস্থা রয়টার্স এমনই তথ্য দিচ্ছে। তেনজিনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও।

কেন রহস্য ও জল্পনা?
উল্লেখ্য, ৫৩ বছরের ওই তিব্বতী ভারতীয় জওয়ান স্পেশ্যাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের জন্য কর্তব্যরত ছিলেন বলে খবর। আর এই ফোর্স লাদাখে কোভার্ট অপরেশান বা গোপন অভিযান চালাচ্ছে বলে এবার জল্পনা তৈরি হতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠছে বিস্ফোরণ নিয়ে।

তিব্বত ও ফ্রন্টিয়ার ফোর্স
জানা যাচ্ছে, ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকে ধীরে ধীরে এমন একটি ফোর্স গঠনের দিকে এগিয়েছে ভারত। সেই সময় তিব্বত থেকে আসা কিছু রিফিউজি ভারতের সীমানায় বসবাস শুরু করেন। আর সেই তিব্বতের থেকে আসা রিফিউজিরাই বর্তমানে স্পেশ্যাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের বিশেষ কমান্ডো। দাবি করেছে এক সংবাদপত্রের বিশেষ রিপোর্ট। আর সেই সূত্র ধরেই ৫৩ বছর বয়সী এক সেনা জওয়ানকে ঘিরে জল্পনা চড়ছে।

কেন এই তিব্বতিদের গুরুক্ব বেড়েছে ফ্রন্টে ?
বিশেষজ্ঞদের দাবি, পাহাড়ের উত্তরণের ক্ষেত্রে এই তিব্বতিরা প্রবল নিপুণ হন। এছাড়াও এঁরা ক্ষমতাবাণ হন। যে দুটি গুনই
যুদ্ধক্ষেত্রে প্রয়োজন। এদিকে, জল্পনা চড়ার আরও একটি কারণ হল, চিন দাবি করেছে যে বেশ কয়েকজন তিব্বতি ভারতীয় সেনার হয়ে লড়ছে। তারপরই এই মৃত্যু সংবাদ ঘিরে জল্পনা আরও বাড়ে।

তিব্বতি পতাকা ও পরিবার
প্রয়াত স্পেশ্যাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের সেনা জওয়ানের পরিবার জানিয়েছে তিনি ৩৩ বছঠর ধরে এই ফোর্সে ছিলেন। এদিকে, এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গিয়েছে, তাঁর কফিনে ভারতের পতাকার সঙ্গে তিব্বতের পতাকা রয়েছে। কফিন লাদাখের চোগলামসার গ্রামে। যেখানে বেশি সংখ্যায় তিব্বত থেকে আসা রিফিউজিদের বাস। বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারি সূত্রে কোনও বক্তব্য রাখা হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications