• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কোটি টাকা পণ দাবি বরপক্ষের, বিয়ের দিন সাহসী পদক্ষেপে চমকে দিলেন কোটার তরুণী

সারা দেশে পণপ্রথা এখনও রমরমিয়ে চলছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে অনেক থিতিয়ে এলেও উত্তরভারত ও পশ্চিম ভারতের কয়েকটি রাজ্য এখনও পণপ্রথার অভিশাপ থেকে বেরতে পারেনি। রাজস্থানে পণের কারণেই একটি বিয়ে ভেঙে গেল। তবে ঘটনা হল, বিয়ে ভাঙলেন তরুণী নিজে।

কোটি টাকা পণ দাবি বরপক্ষের, বিয়ের দিন সাহসী পদক্ষেপে চমকে দিলেন কোটার তরুণী

বরপক্ষ ১ কোটি টাকা পণ চেয়েছিল। তা জানতে পেরে রবিবার বিয়ের দিন বরপক্ষ আসতেই বিয়ে ভেঙে দেন তরুণী। তাঁর নাম চিকিৎসক রাশি। তিনি চিকিৎসক অনিল সাক্সেনার মেয়ে। বরপক্ষ গোয়ালিয়রের। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বরও চিকিৎসক। তার নাম সক্ষম সাক্সেনা। তার পরিবারই ১ কোটি টাকা পণ দাবি করেছিল। তিনি মোরাদাবাদের মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর। শনিবার বরযাত্রীরা কোটায় পৌঁছে যায়। একটি বিলাসবহুল প্যালেসে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

সোনা-রূপার গয়না ছাড়াও হঠাৎ করে ১ কোটি টাকা নগদ দাবি করে সক্ষমের পরিবার। এমন দাবি শুনে ফাঁপড়ে পড়ে যায় কনেপক্ষ। ৩-৪ লক্ষ টাকার সামগ্রী দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া বিয়ের সমস্ত খরচ মিলিয়ে ৩০-৩৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল কনেপক্ষের।

শনিবার কোটায় পৌঁছতেই একটি সুইফ্ট ডিজায়ার গাড়ি ও ১০ গ্রামের পাঁচটি সোনার কয়েন দেওয়া হয় বরপক্ষের হাতে। তবে আরও দাবি জানাতে থাকে সক্ষমের পরিবার। ঘটনা কানে আসে কনে রাশির।

নিজের বাড়ির লোকেদের হেয় হতে দেখে বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্পষ্ট জানিয়ে দেন এমন বাড়ির ছেলেকে তিনি বিয়ে করবেন না। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেলেও মামলা দায়ের হয়নি। ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে রাশির এহেন পদক্ষেপে মেয়ের বাড়ির সকলেই খুশি।

English summary
Kota bride cancels marriage on wedding day because of dowry demand
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more