পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলার একবছর পার : এই তথ্যগুলি আপনি জানেন তো?
পুলওয়ামার ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসবাদী হামলার পর কেটে গেছে এক বছর। ১৪ই ফেব্রুয়ারি তার বর্ষপূর্তিতে শহিদ বীর জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে দেখা গেছে দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে একাধিক বিশিষ্টজনকে। কিন্তু এই গোটা সন্ত্রাসী হামলার পিছনে লুকিয়ে রয়েছে অনেক অজানা তথ্য। আসুন আজ সেগুলি সম্পর্কে জেনে নিই।

কী হয়েছিল সেদিন?
উরির থেকেও ভয়ঙ্কর জঙ্গি হানায় কেঁপে ওঠে গোটা উপত্যকা। জম্মু থেকে শ্রীনগর যাওয়ার পথে অবন্তীপুরার লেটাপোরার কাছে একটি বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি সেনা কনভয়ের মধ্যে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটায় বলে জানা যায়। মৃত্যু হয় ৪০শের বেশি সেনা জওয়ানের। তারপরই গোটা ঘটনার বিভত্সতা দেখে শিউরে ওঠে গোটা দেশ। জঙ্গি হামলায় শহিদ হন বাংলার উলুবেড়িয়ার বাউড়িয়ার বাসিন্দা বাবলু সাঁতরা।

সেনা কনভয়ই ছিল জঙ্গিদের প্রধান টার্গেট
ওই দিন বেলা তিনটে নাগাদ শ্রীনগর-অনন্তনাগ হাইওয়ে ধরে জম্মু থেকে শ্রীনগর যাচ্ছিল ২৫০০ সেনা-জওয়ানের একটি কনভয়। সূত্রের খবর, আটাত্তরটি গাড়ির ওই বিশাল কনভয়ই ছিল মূলত জঙ্গিদের টার্গেট। পুলওয়ামার অবন্তীপুরার কাছে কনভয় পৌঁছতেই, উলটো দিক থেকে একটি প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি কনভয়ের কাছাকাছি চলে আসে। তারপরেই ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। পুরো ঘটনার দায় স্বীকার পাক মদত পুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-এ-মহম্মদ।

হামলার পরেই বাড়তে থাকে রাজনৈতিক চাপানউতোর
যদিও এই হামলার পরেই একাধিক দেশের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের সামনে পরে কেন্দ্র সরকার। বাড়তে তাকে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তার পর থেকেই বেশ কিছু প্রশ্ন মানুষের মনে মাথা চাড়া দেয় যার যথাযথ উত্তর আজও পাওয়া যায়নি। ভোট ব্যাংকের রাজনীতি করতে এর পিছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করে বিরোধীরা।

যে প্রশ্নের উত্তর নেই
এদিকে ওই বিশালাকার সেনা কনভয়ের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে সন্ত্রাসবাদীদের ওই গাড়ি কী করে এসে পৌঁছালো তার যথাযথ উত্তর আজও পাওয়া যায়নি। একই ওই সাড়ে তিনশো কেজি বিস্ফোরক জঙ্গিরা কোথা থেকে নিয়ে এল তারও উত্তর নেই আজও। সীমান্ত পেরিয়ে ওই প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক আনা হয়েছে নাকি দেশের অভ্যন্তরেই কোথাও মজুত রাখা হয়েছিল তার উত্তর দিতে পারেনি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ।












Click it and Unblock the Notifications