• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

রাজ্যসভা ভোটে বেগুনী কালি কী ভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠল জানেন কি

  • |

২০১৬ সালে রাজ্যসভা ভোটে হাতে কালি লাগানোর ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর করে নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছিল নির্বাচনের জন্য ভোটারদের একটি বিশেষভাবে তৈরি বেগুনী স্কেচ কলম দিয়ে হাতে দাগ দেওয়া হবে। হরিয়ানার ভোটে কালি বিতর্ক ও ভুল কালি দিয়ে ভোটারদের চিহ্নিতকরণের জেরে ১২টি ভোট বাতিলের পরেই এই নতুন সিদ্ধান্তের পথে হাঁটে নির্বাচন কমিশন।

কী ঘটেছিল হরিয়ানার সেই রাজ্যসভা ভোটে ?

কী ঘটেছিল হরিয়ানার সেই রাজ্যসভা ভোটে ?

এই ১২টি ভোট ছিল কংগ্রেসের বিধায়কদের। কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী তথা আইনজীবী আর কে আনন্দকে জেতানোর জন্যই তারা ওই ভোট দিয়েছিলেন বৱে জানা যায়। কিন্তু যিনি ভারতীয় জনতা পার্টি সমর্থিত প্রার্থী সুভাষ চান্দ্রার কাছে হেরে যান। একইসাথে ব্যালটে সঠিক চিহ্ন না থাকায় আরও দুটি ভোটকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল এবং বিধায়ক কিরণ চৌধুরীকে নিজের ভোট দেখানোর জন্য রণদীপ সিং সুরজেওয়ালের ভোটও বাতিল করা হয়েছিল।

হরিয়ানার ঘটনার পর থেকেই চলে আসছে নতুন বেগুনি কালির পেনের প্রচলন

হরিয়ানার ঘটনার পর থেকেই চলে আসছে নতুন বেগুনি কালির পেনের প্রচলন

এরপরেই সেখানে শুরু হয় তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোক দল নির্বাচন কমিশনের কাছে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানায়। এরপরেই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ভোটারদের কেবল পোলিং কর্মকর্তাদের দেওয়া নতুন বেগুনী স্কেচ কলম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করে কমিশন। অন্য কোনও রঙ লাগানো হলে সেই ভোট গুলি অবৈধ বলে ঘোষণা করা হবে বলেও জানানো হয়। তারপর থেকেই রাজ্যসভার ভোটে এই বেগুনী কালির প্রচলন চলে আসছে বলে জানা যাচ্ছে।

ভোটের সাধারণ কালির ব্যবহার কবে থেকে শুরু হয় জানেন কি ?

ভোটের সাধারণ কালির ব্যবহার কবে থেকে শুরু হয় জানেন কি ?

এদিকে ভারতবর্ষের নির্বাচনে সাধারণত যে কালি ব্যবহার হয়ে আসছে তার প্রথম ব্যবহার শুরু হয় ১৯৬২ সালে। ভোটের কালি সরবরাহের জন্য সে সময় আইনমন্ত্রক, ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরি ও ন্যাশনাল রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন যৌথভাবে মাইশোর পেইন্টস নামক একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে। তারা ছাড়া কেউ এই কালি বানাতে পারে না।

খোলা বাজারে বিক্রি হয় না ভোটের কালি

খোলা বাজারে বিক্রি হয় না ভোটের কালি

অন্যদিকে আজও সঠিকভাবে ভোটের কালি তৈরির ফর্মুলা প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি খোলা বাজারে এই কালি বিক্রিও হয় না। বরাত দিয়েই বানাতে হয়। নির্বাচন কমিশন ছাড়া আর কেউ বরাত দিতেও পারে না। যারা বানান তাঁরাও এর গোটা প্রক্রিয়া জানেন না। এক এক জন এক একটা অংশ জানেন। তারপর সকলে মিলে একযোগে এক ফর্মুলায় তৈরি হয় ভোটের কালি।

শহীদ পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে বদলা চাই, মন্তব্য সোমেন মিত্রের

জ্যোতিরাদিত্য ফ্যাক্টরে মাত হল কংগ্রেস, রাজ্যসভা ভোটে মধ্যপ্রদেশে জয়ী বিজেপি

English summary
know the relevance of purple ink in Rajya Sabha vote
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X