• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

স্বপ্ন পূরণে লেগে গেল ৬০ বছর, কেমন হল ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল, দেখুন ছবিতে

  • By Oneindia Staff
  • |

অবশেষে উদ্বোধন হল ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল-এর। সোমবার বিকেলে ইন্ডিয়া গেটে বহু কাঙ্খত এই স্মৃতি সৌধের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৯৬২ সালে ইন্দো-চিন যুদ্ধ, ১৯৪৭, ১৯৬৫ এবং ১৯৭১ সালে ইন্দো-পাক যুদ্ধ, কার্গিল যুদ্ধ ১৯৯৯ এবং শ্রীলঙ্কায় ভারতের শান্তি বাহিনীর অভিযানে যে সব সেনারা সাহসীকতার সঙ্গে কর্তব্য পালন করেছেন ও শহিদ হয়েছেন, তাঁদের স্মরণ করতেই এই ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল-কে ৪টি সার্কেলে ঘেরা হয়েছে। একটি সার্কেলের নাম অমর চক্র, বীরতা চক্র, ত্যাগ চক্র ও সুরক্ষা চক্র। এই চার চক্রের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে ১৫ মিটার লম্বা একটি গম্বুজাকৃতি স্মৃতি ফলক। যার গাত্রে রয়েছে ব্রোঞ্জ ও পাথরের সব স্থাপত্য, গ্রাফিক প্যানেল এবং ২১ জন পরমবীর চক্র প্রাপকদের আবক্ষ-মূর্তি। স্মৃতি ফলকের মাথায় রয়েছে অশোক স্তম্ভ। এই ফলকের পেটে একটি ব্রোঞ্জের পাত্রে জ্বালানো হয়েছে অগ্নি।

মোদীর উদ্য়োগে কাজ শুরু

মোদীর উদ্য়োগে কাজ শুরু

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই এমন এক মেমোরিয়াল-এর স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শেষমেশ ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল বানানোর কাজ শুরু হয়।

২৬ হাজার শহিদ সেনা-কে শ্রদ্ধা

২৬ হাজার শহিদ সেনা-কে শ্রদ্ধা

দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া ২৫,৯৪২ জন সেনাকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে এই মেমোরিয়ালে।

মেমোরিয়াল বানানোর তাৎপর্য

মেমোরিয়াল বানানোর তাৎপর্য

ইন্ডিয়া গেটের কাছেই ন্যাশনাল মেমোরিয়াল বানানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল ইউপিএ সরকারের জামানায়। এই মেমোরিয়ালকে সেই সব শহিদ সেনাদের উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে যাঁরা ১৯৬২ সালে ইন্দো-চিন যুদ্ধ, ১৯৪৭, ১৯৬৫ এবং ১৯৭১ সালে ইন্দো-পাক যুদ্ধ, কার্গিল যুদ্ধ ১৯৯৯ এবং শ্রীলঙ্কায় ভারতের শান্তি বাহিনীর অভিযানে শহিদ হয়েছিলেন।

মেমোরিয়ালের নেপথ্যের ইতিহাস

মেমোরিয়ালের নেপথ্যের ইতিহাস

১৯৬০ সালেই ঠিক হয়েছিল এমন একটি স্মৃতি সৌধ বানানো হবে। শেষমেশ ২০০৬ সালে তৎকালীন ইউপিএ সরকারে আমলে একটি মন্ত্রী গোষ্ঠী তৈরি করা হয়। যার নেতৃত্বে ছিলেন প্রণব মুখোপাধ্য়ায়। সে সময়ই এই মন্ত্রী গোষ্ঠী ঠিক করে যে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল ইন্ডিয়া গেটের পাশেই তৈরি করা হবে। ১৯১৪-১৮ পর্যন্ত চলা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের এবং অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধ ১৯১৯-এ শহিজ জওয়ানদের উদ্দেশে এই ন্যাশনালস ওয়ার মেমোরিয়াল উৎসর্গ করার কথা ঠিক হয়েছিল।

প্রকল্প রূপায়ণে বাধা

প্রকল্প রূপায়ণে বাধা

ইন্ডিয়া গেটের পাশে প্রকল্প রূপায়ণে বাধা হয়ে দাঁড়ায় আর্বান ডেভলপমেন্ট। শুরুতেই তারা আপত্তি জানিয়ে বলে ইন্ডিয়া গেটের লাগোয়া এলাকা হেরিটেজ সাইটের মধ্যে পড়ে, সুতরাং এখানে নতুন করে কোনও বড় নির্মাণ করা যাবে না। কিন্তু, ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি সাফ জানিয়ে দেন ইন্ডিয়া গেটের পাশেই ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল হবে এবং এর জন্য যাবতীয় বাধা সরিয়ে দিচ্ছে মন্ত্রী গোষ্ঠী। দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দিক্ষীত এর বিরোধিতা করেন এবং জানান, এর ফলে ইন্ডিয়া গেটের মতো জনপ্রিয় এলাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতের উপরে বিধিনিষেধ বাড়বে।

মোদীর হাত ধরে ফিরল স্বপ্ন

মোদীর হাত ধরে ফিরল স্বপ্ন

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই ন্য়াশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল-কে বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হল নরেন্দ্র মোদী। প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হওয়ার জন্য পূর্বতন সরকারের কড়া সমালোচনাও করেছিলেন তিনি। ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল মিউজিয়াম-এর জন্য ৫০০ কোটি মঞ্জুর করে মোদী সরকার। এছাড়াও মেমোরিয়াল বানানোর জন্য ১৭৬ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়। ২০১৬ সালের মে মাসে ঠিক হয় ইন্ডিয়া গেট লাগোয়া প্রিন্সেস পার্ক কমপ্লেক্সে ন্য়াশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল মিউজিয়াম হবে এবং ইন্ডিয়া গেটের সি-হেক্সাগন-এ তৈরি করা হবে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল।

মেমোরিয়ালের নকসা

মেমোরিয়ালের নকসা

ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালের নকসার জন্য বিশ্ব জুড়ে একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মাইগভ.ইন পোর্টালে এই প্রতিযোগিতা শুরু করা হয়েছিল। এক বছর পর মুম্বই-এর এসপি+এ স্টুডিও-র প্রোপোজাল-কে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল মিউজিয়াম-এর জন্য নির্বাচিত করা হয়। চেন্নাই বেসড উইবি ডিজাইন ল্যাব-এর প্রোপোজালকে মেমোরিয়াল তৈরির জন্য নির্বাচিত করা হয়।

খরচ ও অন্য়ান্য খুঁটিনাটি

খরচ ও অন্য়ান্য খুঁটিনাটি

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল মেমোরিয়াল নির্মাণের জন্য ১৭৬ কোটি টাকা খরচ হওয়ার কথা। এইখানে রয়েছে ১৫.৫ মিটার লম্বা একটি টাওয়ার বা স্মৃতি ফলক। যার ভিতরে রয়েছে অগ্নি প্রজ্বলন আধার। একে ঘিরে রয়েছে ১৬টি ছোট-ছোট সার্কুলার পাঁচিল। যা গ্রানাইট পাথর দিয়ে তৈরি হয়েছে। যেখানে ২৬,০০০ শহিদ জওয়ানের নাম সোনায় খোদাই করা আছে। সার্কুলার ওয়াল-গুলো-কে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে দেখে মনে হয় এটা একটা চক্রবূহ্য। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষকে ঘিরতে সেনারা যেমন চক্রবূহ্য তৈরি করেন, এই সার্কুলার ওয়াল-গুলোর গঠনে তেমনই একটি ভিসুয়ালাইজেশন আনা হয়েছে। এছাড়া মেমোরিয়ালের চারপাশে ঘিরে রয়েছে চারটি সার্কেল। যাদের নাম অমর চক্র, বীরতা চক্র, ত্যাগ চক্র ও রক্ষক চক্র। এগুলি আসলে অনেকটা গ্যালারির মতো। ২১ জন পরমবীর চক্র প্রাপক-কে শ্রদ্ধা জানিয়ে পরম যোদ্ধা স্থল তৈরি করা হয়েছে। এখানে এমন ৩ পরমবীর চক্র প্রাপকের নাম আছে যাঁরা এখনও জীবীত। এটা তাঁদের কাছে এক অন্যন্য সম্মান বলেই মনে করছে সেনাবাহিনী।

lok-sabha-home
English summary
National War Memorial has inauguarted by Prime Minister Narendra Mdodi on 25th February in Delhi. Know about the National War Memorial in details with 8 best images.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X

Loksabha Results

PartyLWT
BJP+27376349
CONG+771289
OTH986104

Arunachal Pradesh

PartyLWT
BJP20020
CONG000
OTH707

Sikkim

PartyLWT
SDF11011
SKM808
OTH000

Odisha

PartyLWT
BJD1070107
BJP26026
OTH13013

Andhra Pradesh

PartyLWT
YSRCP13316149
TDP23124
OTH202

-
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more