• search

হাসপাতালের মর্গে জেগে উঠল 'মৃত', তারপর যা হল শুনলে চমকে উঠবেন

  • By Sritama Mitra
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মর্গ থেকে বেরিয়ে এলেন 'মৃত' মানুষ! এক কথায় বললে ঘটনা খানিকটা এরকমই ছিল। এই কাণ্ড ঘটেছে কেরলের ইদ্দুকি জেলায়। সেখানের এক হাসপাতালে বহু দিন দরে জন্ডিসে আক্রান্ত মহিলা হাসপাতালে মারা যান বলে দাবি চিকিৎসকদের। মারা যাওয়ার পর তাঁকে হাসপাতালের মর্গে রাখলে খানিক্ষণ বাদে তিনি বেঁচে ওঠেন বলে দাবি মহিলার পরিবারের লোকজনের।

    হাসপাতালের মর্গে জেগে উঠল 'মৃত', তারপর যা হল শুনলে চমকে উঠবেন

    ৪০ বছর বয়সী কেরলের রতনম গত ২ মাস ধরে জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে কেরলের মাদুরাই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা অনেকদিন ধরেই খারাপ ছিল। অবস্থা এমন আশঙ্কাজনক হয়ে যায় যে তাঁকে বাঁচার আশা ছেড়ে দেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা তাঁকে বাড়িও নিয়ে যেতে বলেন। কারম মহিলার দেহের বহু অঙ্গ প্রত্য়ঙ্গই বিকল হতে থাকে।

    এরকম এক অবস্থায় রতনমকে বাড়ি আনার সময় তাঁর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যায়। তখনই চিকিৎসকরা মনে করেন তিনি মারা গিয়েছেন। 'মৃতদেহ' পাঠানো হয় মর্গে। এদিকে , মর্গে একঘণ্টা বাদে তাঁর আত্মীয়রা দেহ নিয়ে যেতে এসে দেখেন, মহিলা জীবিত। শ্বাস প্রশ্বাস নিচ্ছেন তিনি।

    সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন রতনমের পরিবারের লোকজন । রতনমকে নিয়ে যাওয়া হয় কাট্টাপানার এক হাসপাতালে । পুলিশে অভিযোগ জানানো হয় যে , রতনম মারা গিয়েছেন কী না তা নিশ্চিত না করেই মর্গে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ঘটনা ঘিরে স্বভাবতই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

    English summary
    A woman from Kerala who was suffering from jaundice was kept in a mortuary for almost an hour after she was presumed to be dead. The incident happened in Kerala’s Idukki district. She was kept in the mortuary for at least an hour after she was taken to be dead but she sprang back to life.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more