ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

বাবাকে খুনের পরে দেহ একাধিক টুকরো করে নানা জায়গায় নিক্ষেপ কেরলের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর

  • By OneIndia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    তিরুবনন্তপুরম, ৩১ মে : নৃশংসতা ও আক্রোশ কোন পর্যায়ে গেলে মানুষ দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে কি কাজ করতে পারে তার প্রমাণ দিল কেরলের এক তরুণ। নিজের বাবাকে খুন করে দেহ একাধিক টুকরো করে তা আলাদা জায়গায় ফেলে দিয়েছে সে।

    হাড় হিম করা এই ঘটনাটি ঘটেছে কেরলে। একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্মী শেরিন জন (৩৬) নিজের বাবা, ৬৮ বছরের জয় ভি জনকে গত সপ্তাহে খুন করে এমন কাণ্ড করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জেরায় সে নিজের দোষও স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের।

    বাবাকে খুনের পরে দেহ একাধিক টুকরো করে নানা জায়গায় নিক্ষেপ

    পুলিশ জানিয়েছে, গত তিন দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা জন। কেরলের চেঙ্গান্নুরে তিনি নিজের পৈতৃক ভিটেতেই এসে উঠেছিলেন। সম্পত্তি নিজে ছেলে শেরিনের সঙ্গে বিবাদের জেরে তাঁকে খুন হতে হয়েছে।

    শেরিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিভিন্ন আলাদা এলাকা থেকে জনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ জনেরই।

    গত সপ্তাহের বুধবার বাড়ির এয়ার কন্ডিশনার সারাতে বাবা জনকে নিয়ে বেরিয়েছিল ছেলে শেরিন। ছেলে, স্বামী কেউই বাড়ি ফেরত না আসায় পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেন জনের স্ত্রী মারিয়াম্মা।

    এরপরে তদন্তে নেমে জেরা করতেই বাবাকে খুনের কথা স্বীকার করে শেরিন। খুনের পর দেহ কোথায় ফেলা হয়েছে সেটাও পুলিশকে জানায়। তার ভিত্তিতেই খুন ও প্রমাণ লোপাটের মামলা দায়ের করে শেরিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    English summary
    Kerala Techie Kills Father, Scatters Body Parts In Different Places

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more