• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে উপত্যকার অর্থনীতির কেমন হাল ! নয়া রিপোর্টে চাঞ্চল্য

  • By Annanya
  • |

টানা ৮৪ দিন ধরে কার্যত থমথমে কাশ্মীর। গত ৫ অগাস্ট দিল্লির এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে উপত্যকা থেকে তুলে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। এরপর প্রায় টানা ৩ মাস কাটতে চলল। এমন পরিস্থিতিতে , কাশ্মীরের ব্যবসায়ে ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে , তার পরিসংখ্যান দিল কাশ্মীর চেম্বার অফ কমার্স।

 কত টাকার ক্ষতি?

কত টাকার ক্ষতি?

কাশ্মীরের চেম্বার অফ কমার্সের তরফে জানানো হয়েছে, গত ৮৪ দিন ধরে উপত্যকায় সেভাবে ব্যবসা চালানো যায়নি । সমস্ত সেক্টর এই উপত্যকায় প্রভাবিত হয়েছে। তিন মাস ধরে সেভাবে ব্যবসা করতে পারেননি এলাকার বাসিন্দারা। যার ফলে ১০, ০০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে কাশ্মীরের ব্যবসায়।

 কী কারণে মূল ক্ষতি?

কী কারণে মূল ক্ষতি?

সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যবসার মূল ক্ষতি হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হওয়ায়। এছাড়াও ফোনে সংযোগ বন্ধ থাকায়ও বড়সড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে কাশ্মীরের ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে।

 জঙ্গিদের চোখ রাঙানি

জঙ্গিদের চোখ রাঙানি

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন জায়গায় কাশ্মীরে আপেল বিক্রেতা থেকে শুরু করে নামী ব্যবসায়ীদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী তথা জঙ্গিরা। বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

মূল অর্ডার আসে জুলাই-অগাস্ট মাসে!

মূল অর্ডার আসে জুলাই-অগাস্ট মাসে!

কাশ্মীরের ব্যবসায়ী মহলের দাবি, উপত্যকার কুটির শিল্পের ক্ষেত্রে মূল অর্জার আসে জুলাই -অগাস্ট মাস নাগাদ। আর সেই সময়ই কাশ্মীর জুড়ে এমন থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরফলে অর্ডার আসতে দেরি হয়েছে। এছাড়াও উপত্যকায় ৫০ হাজার মানুষ কর্মহীন হয়েছেন। আর এই ৫০, ০০০ জনই যুক্ত কাশ্মীরের কুটির শিল্পের সঙ্গে।

English summary
Kashmir Suffers Loss of 10,000 Crore after 3 months Long Lock down .
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more