কর্নাটক নির্বাচনের ফলাফল ২০২৩: দক্ষিণের প্রবেশদ্বার হারাল বিজেপি! হেভিওয়েটদের জয়-পরাজয় একনজরে
দক্ষিণের প্রবেশদ্বার হারাতে চলেছে কংগ্রেস। ফলের নিরিখে ইতিমধ্যে কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রাপ্ত সংখ্যা পেরিয়ে এসেছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় কর্নাটক নির্বাচনের ফল ২০২৩ (Karnataka Election Results 2023) কংগ্রেস ১৩৬, বিজেপি ৬৫, জেডিএস ২০ এবং অন্যরা ৩ টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে এগিয়ে পিছিয়ে ফল জানানো হয়েছে। নির্দিষ্টভাবে কারও জয় সামনে আসেনি। তবে সেই এগিয়ে-পিছিয়ে থাকার তালিকায় অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীও রয়েছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কে কোথা এগিয়ে পিছিয়ে।

বরুণে এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। বিজেপি প্রার্থী ভি সোমান্মার বিরুদ্ধে প্রায় ১৬ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এই আসনটি চামরাজানগর সংসদীয় এলাকার মধ্যে পড়ে। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির ভি শ্রীনিবাস প্রসাদ।
এই আসনের বিদায়ী বিধায়ক সিদ্দারামাইয়ার পুত্র যতীন্দ্র সিদ্দারামাইয়া। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এই আসন থেকে আগে দুবার জিতেছিলেন। ২০১৩-তে এই আসনে জয়ী ঙওয়ার পরে তিনি মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছেন। ২০১৮ সালে তিনি যথীন্দ্রের জন্য আসনটি ছেড়ে দেন।

শিকারীপুরা আসন থেকে বিজেপি প্রার্থী বিএস ইয়েদুরাপ্পার ছেলে বিজয়েন্দ্র ইয়েদুরাপ্পা তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তথা নির্দল প্রার্থী এসপি নাগরাজগৌড়ার থেকে প্রায় আট হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। এই আসন থেকে বিএস ইয়েদুরাপ্পার ট্র্যাক রেকর্ড খুবই ভাল। এই আসন থেকে আটবার তিনি জয়ী হয়েছেন।
২০১৩ সালে ইয়েদুরাপ্পা কেজেপির টিকিটে শিকারীপুরা আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন। সেই বছর তিনি বিজেপি ছেড়ে নিজের দল গঠন করেছিলেন। তবে ২০১৪ সালে তিনি বিজেপিতে ফিরে আসেন। ২০১৮-এর নির্বাচনে জয়ী হন এবং মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসেন। উল্লেখ করা প্রয়োজন কংগ্রেস এই আসনে ৫ বার জয়ী হয়েছে।

কনকপুরা আসন থেকে এগিয়ে রয়েছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমার। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির আর অশোকের থেকে ৬০ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। এই কনকপুরা এলাকা কংগ্রেস তথা ডিকে শিবকুমারের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
হুবলি-ধারওয়াদ সেন্ট্রাল আসনে কার্যত হারের মুখে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীস শেট্টার। তিনি বিজেপি প্রার্থী মহেশ টেঙ্গিনাকাইয়ের থেকে ৩০ হাজারের বেশি ভোট পিছিয়ে পড়েছেন। এর আগে তিনি টানা ছয়বার এই আসন থেকে জয়ী হয়েছেন। এবার বিজেপি সেখানে নতুন প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার তিনি দল ছাড়েন।












Click it and Unblock the Notifications