২০২৪ এর ভোটে দলের নেতৃত্বে নাড্ডাই, সিলমোহর পড়ল বিজেপির জাতীয় কার্যকরী বৈঠকে
বিজেপির বর্তমান সভাপতির কার্যকালের মেয়াদ ২০২৪-এর জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এদিন দুদিনে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক শেষে ঘোষণা করেছেন, দলের সিনিয়র নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
প্রসঙ্গত সামনে জম্মু ও কাশ্মীর-সহ ১০ টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। তারপরে লোকসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে জেপি নাড্ডার কার্যকালের মেয়াদ বৃদ্ধি প্রত্যাশিত ছিল।

সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা অমিত শাহের
দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে অমিত শাহ ঘোষণা করেন, বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতি, সর্বসম্মতভাবে জেপি নাড্ডার মেয়াদ ২০২৪-এর জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিজেপি আত্মবিশ্বাসী যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং সভাপতি নাড্ডার অধীনে দল ২০২৪-এ ২০১৯-এর চেয়ে বেশি আসন পেয়ে জয়ী হবে। প্রসঙ্গত লালকৃষ্ণ আডবাণী, অমিত শাহের পরে জেপি নাড্ডা হলেন, তৃতীয় ব্যক্তি যার কার্যকালের মেয়াদ বাড়ানো হল। জেপি নাড্ডার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। যা সর্বসম্মতিতে পাশ হয়ে গিয়েছে। অমিত শাহ দাবি করেছেন, বিজেপি হল সবচেয়ে গণতান্ত্রিক দল যা জনসংঘের সময় থেকে বুথ থেকে সর্বভারতীয় সভাপতি পদ পর্যন্ত নির্বাচনের ঐতিহ্য অনুসরণ করে চলেছে।

আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর
অমিত শাহ বলেছেন, জেপি নাড্ডা সভাপতি থাকার সময়ে দল অনেক রাজ্যের নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। অর্থাৎ তিনি দলকে সম্প্রসারণে সাহায্য করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা এবং ক্যারিশমাকে ভোটে রূপান্তরিত করেছেন। অন্যদিকে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আস্থাভাজন। সেক্ষেত্রে বিজেপি বিশ্বাস করে যে দল ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাক্ষ করবে।
এছাড়াও অমিত শাহ করোনা মহামারীর সময়ে জেপি নাড্ডার কাজের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, দলের সংগঠনকে মানুষের সেবার সঙ্গে যুক্ত করেছেন তিনি।

কী বলছে বিজেপির সংবিধান
বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী, কোনও নেতা সভাপতি হিসেবে তিন বছরের পরপর দুই মেয়াদে থাকতে পারেন। রাজ্যগুলির অন্তত ৫০ শতাংশ ইউনিটে সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার পরে জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলেও বিজেপির সংবিধানে রয়েছে। বিজেপির সংবিধান অনুসারে জেপি নাড্ডার প্রথম তিন বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩-এর ২০ জানুয়ারি। কেননা তিনি কার্যভার নিয়েছিলেন ২০২০-র ২০ জানুয়ারি।

নজরে রাজ্যগুলির বিধানসভা নির্বাচন
১৬ জানুয়ারি জাতীয় কর্মসমিতির অধিবেশনের শুরুতেই সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেছিলেন, নটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও রয়েছে কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচনও। বিজেপির জাতীয় কর্মসমিচির অধিবেশন এদিনই শেষ হয়েছে। সেখানে দলের বর্ষীয়ান নেতা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্য সভাপতি, বিরোধী দলনেতা, মুখ্যমন্ত্রী সমেত প্রায় ৩৫০ প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন।
-
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে











Click it and Unblock the Notifications