বিহার উপনির্বাচনেও ধুয়ে মুছে সাফ কংগ্রেস, কড়া টক্কর দিলেও শেষ পর্যন্ত JDU-র কাছে হার মানতে হল RJD
বিহার উপনির্বাচনেও ধুয়ে মুছে সাফ কংগ্রেস, কড়া টক্কর দিলেও শেষ পর্যন্ত JDU-র কাছে হার মানতে হল RJD
বিহার উপনির্বাচনে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেল আরজেডি। অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ল কংগ্রেস। কুশেশ্বর আস্থান কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে জেডিইউ প্রার্থী অমন কুমার হাজরা। তারাপুর কেন্দ্রেও জয়ী হয়েছে জেডিইউ। দুই কেন্দ্রেই দুই আরজেডি প্রার্থীরা কড়া টক্কর দিলেও শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করতে পারেনি। আর কংগ্রেসের অস্তিত্ব প্রায় নেই বললেই চলে। হিমাচল প্রদেশ ছাড়া বেশিরভাগ রাজ্যের উপনির্বাচনেই কংগ্রেস খুব একটা ভাল ফল করে উঠতে পারেনি। এদিকে সামনেই আবার উত্তর প্রদেশ এবং পাঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে কী পরিস্থিতি হবে সেটা নিয়ে হাইকমান্ডের ভাবনাচিন্তা করা উচিত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উপনির্বাচন নিয়ে বিশেষ তৎপর হয়েছিল আরজেডি। লালু প্রসাদ যাদব নিজে মাথা ঘামাচ্ছিলেন প্রচারের কাজে। আলাদা করে তারকা প্রচারের তালিকা তৈরি হয়েছিল। সেই তালিকা থেকে তেজ প্রতাপের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তেমন প্রচার করেনি আরজেডি। দুটি কেন্দ্রেই কংগ্রেস আলাদা করে প্রার্থী দিেয়ছিল। তিন কেন্দ্রে প্রচারে জোর দিয়েও শেষ পর্যন্ড জেডিইউ বিজেপি জোটের প্রার্থীদের কাছে হার স্বীকার করতে হয়েছে আরজেডি প্রার্থীদের।
কুশেশ্বর আস্থান কেন্দ্রে জেডিইউ প্রার্থী করেছিল অমন ভূষণ হাজারিকে। রাষ্ট্রিয় জনতা দল সেই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছিল গণেশ ভারতীকে। বিহারের দ্বারভাঙা জেলায় ভূষণ হাজারির এই জয় অনেকটাই চাঙ্গা করেছে সংগঠনকে। কারণ বিধানসভা নির্বাচনে সব কেন্দ্রেই কানায় কানায় লড়াই হয়েছিল আরজেডির সঙ্গে। কোনও কেন্দ্রেই বিজেপি প্রার্থীরা খুব বেশি ভোটে জিততে পারেনি। জেডিইউকে একা সরকার গড়তে পারত না। বিজেপির সাহায্যেই জেডিইউ সরকার গড়তে পেরেছিল। নীতীশ কুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জনপ্রিয়তাও কমে গিয়েছিল বিজেপিতে। সেকারণেই বিহারের বিধানসভা নির্বাচন উপনির্বাচনে কোমর কষেছিল আরজেডি। লালু প্রসাদ যাদব নিজে তাতে মাথাঘামিয়েছিলেন। বিহারের বিধানসভা ভোটের সময় তিনি তেমন ভাবে অংশ নিতে পারেনিনি। পুরোটাই সামলেছিলেন তেজস্বী যাদব।
কংগ্রেসের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক হয়েছে বিহারে। তৃতীয় অবস্থানেও আসতে পারেনি কংগ্রেস। উত্তর প্রদেশ এবং পাঞ্জাবের বিধানসভা ভোটের আগে বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের এই কঠিন অবস্থা ভাবিয়ে তুলেছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে সংগঠনের বিষয়ে এবার বিশেষ নজর দেওয়া উচিত কংগ্রেসের। একাধিক রাজ্যে কংগ্রেস ভাঙন ধরেছে।একের পর এক হেভিওয়েট নেতা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করতে শুরু করেছে। পাঞ্জাবে প্রবল অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে কংগ্রেসে। অমরিন্দর সিং পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে এসে নিজের দল গঠন করেছেন। ধনতেরাসের শুভ দিনেই নিজের দল পাঞ্জাব ন্যাশনাল কংগ্রেস ঘোষণা করেছেন তিনি। এবং পাঞ্জাবের ১১৭টি বিধানসভা কেন্দ্রেই তিনি প্রার্থী দেবেন বলে জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications