Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

আপ ঝড় থামিয়েছেন এই অকালি নেতা, চিনে নিন সিমরনজিৎকে

সদ্য পাঞ্জাবে ক্ষমতায় এসেছে আম আদমি পার্টি। বিরোধীদের কার্যত দুরমুশ করে তারা পাঞ্জাবের আসনে বসেছে। সাধারনত এমন অবস্থায় যদি কোনও উপনির্বাচন হয় সেখানে ক্ষমতায় থাকা দলই নির্বাচনে জেতে , কারণ সেখানে তখন ওই দলের একটা হাওয়া থাকে। বিপক্ষ সেই হাওয়ায় উড়ে যায়। বাংলাতেও যে কটি উপনির্বাচন হয়েছে সেখানেও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। কিন্তু অন্যরকম ছবি দেখা গিয়েছে পাঞ্জাবে। উপনির্বাচনে একটা আসনও পায়নি আম আদমি পার্টি। নজর কেড়েছেন সিমরনজিৎ সিং মান। তিনি আপের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন সাংরুর লোকসভা আসন।

কে এই সিমরনজিৎ সিং ?

কে এই সিমরনজিৎ সিং ?

শিরোমণি আকালি দলের (অমৃতসর) সভাপতি এবং প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সিমরনজিৎ সিং মান উপনির্বাচনে আম আদমি পার্টি (এএপি) থেকে সাঙ্গারুর লোকসভা আসনটি ছিনিয়ে নিয়েছেন। ২৩ বছরে তিনি এই প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়ে জিতেছেন। তাও আপ ঝড়ের মাঝে তাঁর এই জয় বড় বার্তা দিয়ে গিয়েছে। মান তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, আপের গুরমাইল সিংকে ৫৮২২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। উপনির্বাচনের ফলাফল নিম্নকক্ষে একটা আসনও দেয়নি।

কী বলেন জয়ের পর ?

কী বলেন জয়ের পর ?

জয়ের পরে, মান বলেছিলেন যে এটি দলীয় কর্মীদের জয় এবং জার্নাইল সিং ভিন্দ্রানওয়ালের শিক্ষার জয়। তিনি একজন ধর্মীয় নেতা যিনি একটি পৃথক শিখ রাজ্যের জন্য লড়াই করে গিয়েছেন। এটা তাঁরও জয়।

"দীপ সিং সিধু এবং সিধু মুসওয়ালার মৃত্যুতে শিখ সম্প্রদায় খুবই বিরক্ত এবং এখন ভারত সরকার সেভাবে আচরণ করবে না। তারা মুসলমানদের সাথে খুব খারাপ আচরণ করছে। তাদের বাসস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী কাশ্মীরে নৃশংস অত্যাচার করছে এবং প্রতিদিন মুসলমানদের হত্যা করছে।"

রাজনীতির আগে

রাজনীতির আগে


১৯৪৫ সালে সিমলায় জন্মগ্রহণ করেন, সিমরনজিৎ সিং মান। তিনি বিশপ কটন স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং চণ্ডীগড়ের একটি সরকারি কলেজ থেকে স্নাতক হন। তিনি ১৯৬৭ সালে ভারতীয় পুলিশ সার্ভিসে যোগদান করেন এবং পুলিশ সুপার (ভিজিল্যান্স), এসপি (হেডকোয়ার্টার), সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (এসএসপি), ফিরোজপুর সহ বিভিন্ন পদে কাজে করেছেন। ফরিদকোটের এসএসপি ও সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের গ্রুপ কমান্ড্যান্ট ছিলেন তিনি।"

অপারেশন ব্লুস্টার এবং সিমরনজিৎ

অপারেশন ব্লুস্টার এবং সিমরনজিৎ

অমৃতসরের গোল্ডেন টেম্পল কমপ্লেক্সে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের নির্মূল করার জন্য অপারেশন ব্লুস্টারের পর ১৯৮৪ সালে মান আইপিএস থেকে পদত্যাগ করেন। প্রতি বছর ৬ জুন, তিনি এবং তার সমর্থকরা গোল্ডেন টেম্পল কমপ্লেক্সের ভিতরে জড়ো হন এবং অপারেশন ব্লুস্টারের বার্ষিকী উপলক্ষে খালিস্তানপন্থী স্লোগান তোলেন।

তার কিছু সমালোচকরা তাঁকে 'বুদ্ধ জার্নাইল' বলেন। ৭৭ বছর বয়সী এই নেতা বিভিন্ন ফোরামে শিখ এবং সংখ্যালঘুদের সমস্যা তুলে ধরেছেন। মান ১৯৮৯ সালে তারন তারান এবং ১৯৯৯ সালে সাংগরুর থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অমরগড় আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন কিন্তু আপ-এর যশবন্ত সিং গজ্জানমাজরার কাছে ৬০৪৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এবার জিতে নিয়েছেন বাজি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+