ইসরোর হাতে থাকা কোন যাদুবলে সহজেই ধরা পড়ে যায় সাইক্লোন! বেঁচে যায় মানুষের প্রাণ?
প্রত্যেক বছরই সাইক্লোন আসে। এক বা একাধিক সাইক্লোন আছড়ে পড়ে দেশের কোনও না কোনও প্রান্তে। ক্ষয়ক্ষতি হয় বহু। কিন্তু আগে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের তুলনায় এখন সাইক্লোনে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কম হয়। কারণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সাইক্লোন
প্রত্যেক বছরই সাইক্লোন আসে। এক বা একাধিক সাইক্লোন আছড়ে পড়ে দেশের কোনও না কোনও প্রান্তে। ক্ষয়ক্ষতি হয় বহু।
কিন্তু আগে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের তুলনায় এখন সাইক্লোনে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কম হয়।

কারণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সাইক্লোনের গতিপথের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য উঠে আসে আবহাওয়া দফতররে হাতে।
আগে থেকে সচেতন করা যায় সাধারণ মানুষকে। প্রশাসনও ব্যবস্থা নিতে পারে। যদিও বিপর্যয় আদতে মানুষের হাতে থাকে না, তবু ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হয়। আর এই সাইক্লোনকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে ইসরোর স্যাটেলাইট।
SCATSAT-1 নামে একট স্পেসক্রাফট এতে বড় ভূমিকা নেয়। সাইক্লোনের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে পারে এই স্পেসক্রাফটে থাকা স্যাটেলাইট। সমুদ্রতলের পরিস্থিতি, হাওয়ার গতিবিধি সবটাই পর্যবেক্ষ করা যায় এর মাধ্যমে। এতে পেলোড হিসেবে থাকে Ku-band Scatterometer , যার মাধ্যমে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ নিখুঁত হয়।
সমুদ্রের উপরিভাগের অবস্থা ও উইন্ড ভেক্টর দিয়েই বায়ুর গতিবেগ নির্ণয় করা সম্ভব হয়। আর সেটাই সাইক্লোন চিহ্নিত করার মূল উপায়। SCATSAT-1 নামে এই স্পেসক্রাফটে থাকে ইসরোর একটি ছোট স্যাটেলাইট। যার নাম 'IMS-2 BUS'. SCATSAT-1 স্পেসক্রাফটের ওজন হয় ৩৭১ কিলোগ্রাম। এটি দু'দিনে পৃথিবীর চারপাশ ঘুরে আসতে পারে। পাঁচ বছর টান কাজ করতে পারে এটি।
অন্যদিকে মার্চ মাসে আরও একটি অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়েছে ইসরো। যা হল রোহিনী স্যাটেলাইট। ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম পূর্বাভাস দিতে পারবে পারবে এই স্যাটেলাইট। যদিও রোহিনী সিরিজের তিনটী স্যাটেলাইট ইতিমধ্যে লঞ্চ করেছে ইসরো।
সেগুলি হল আরএইচ-২০০, আরএইচ ৩০০ এবং ৈএইচ ৫৬০ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। তবে রোহিনী স্যাটেলাইটের বেশ কিছু গলদ ছিল প্রথম দিকে। কিন্তু ইসরো বলছে শেষ পাঠানো স্যাটেলাইট অনেক বেশি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের খবর দিতে সক্ষম।
কীভাবে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা হয়? ইসরোর পাঠানো একাধিক এই স্যাটেলাইট ভারতের উপর নজর রাখছে। আরব সাগর কিংবা বঙ্গোপসাগরের উপর কোনও সাইক্লোনিক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে কিনা সেগুলিও স্যাটেলাইটের মাধ্যমেই জানতে পারে মৌসম ভবন।
প্রতি মুহূর্তের স্যাটেলাইটের পাঠানো ছবি বিশ্লেষন করা হয়। আগাম বিপদের কোনও আঁচ পেলেই তা মৌসম ভবণকে জানানো হয়। এরপর থেকে প্রতি মুহূর্তে ইসরো এবং মৌসম ভবণ একসঙ্গে কাজ করে। আর বিপদের আপডেট দিয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়। আর এই কারনে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আপডেট পেয়ে অনেকটাই মৃতের কমিয়ে আনা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications