Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

চিনে কি আরেকটি কোভিডের মতো পরিস্থিতি? বিশেষজ্ঞরা ঠিক কী বলছেন! ভারতে মোকাবিলা কী ভাবে

চিনের উত্তরাংশে হঠাৎই শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থার তরফে চিনকে এই রোগ নিয়ে তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। যদিও বেজিং শুক্রবার দাবি করেছে, শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা বৃদ্ধিতে অস্বাভাবিক বা অভিনব কোনও প্যাথোজেন সনাক্ত করা যায়নি।

করোনা মহামারীতে বিভিন্ন দেশে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখন চিনকে করোনার উৎপত্তিস্থল হিসেবে দেখা হয়। সেখানেই ফের শ্বাসকষ্টজনিক রোগের বৃদ্ধি নিয়ে এই ভীতির কারণ স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত ২০১৯-এর শেষের দিকে চিনে কোভিডের প্রথম কেসটির রিপোর্ট করা হয়েছিল।

চিনে কি আরেকটি কোভিডের মতো পরিস্থিতি?

কোভিড দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয় এবং জনস্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। ভাইরাসটি অনিয়ন্ত্রিতভাবে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তা মহামারীতে পরিণত হয়।

বিশেষজ্যরা প্রাই বলে থাকেন, কোভিড মহামারীর মতো জিনিস আবারও হতে পারে, এর জন্য বিশ্বকে তৈরি থাকতে হবে। তবে কবে তা হবে তা আগে থেকে কিছু বলা যায় না। এরই মধ্যে অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে চিনে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো অসুস্থতা বৃদ্ধি সারা বিশ্বের মানুষকে আতঙ্কিত করেছে।

তবে চিনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন গত সপ্তাহে জানিয়েছে, কোভিডের কড়াকড়ি তুলে নেওয়া এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং সাধারণ ব্যাকটিরিয়ার মতো রোগজীবাণুর সঞ্চালন বেড়ে যাওয়াতেই তা শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়ার মতো অসুস্থতা বৃদ্ধির কারণ।

তবে এদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা উদ্বিগ্ন। তাঁরা এক্ষেত্রে ২০১৯-এর নভেম্বর ও ডিসেম্বরের ঘটনাগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, চিন সরকার বলছে, বর্তমান ঘটনার পিছনে ব্যাকটিরিয়া-ভাইরাসের মতো পরিচিত রোগজীবাণুগুলি দায়ী। এর মধ্যে রয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস ও শ্বাসযন্ত্রের সিনসিটিয়াল ভাইরাস। এছাড়াও রয়েছে কিছু কোভিড কেস এবং কিছু মাইকোপ্লাজমা কেস।

পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, নিউমোনিয়ার প্রকোশ সাধারণভাবে শীতে বৃদ্ধি পায়, সেকারণে আশা করা যায় এই বৃদ্ধি মরসুমী। শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিউমোনিয়া হল ফুসফুসের সংক্রমণ। নিউমোনিয়ার সাধারণ লক্ষণগুলি হল জ্বর, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, বমি-কাশি।

ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, চিনে যা ঘটেছে, তা হল নিউমোনিয়ার কারণে অনেক শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। সেখানে যে জীবাণকে সনাক্ত করার দাবি করা হচ্ছে, তা থেকে মনে হচ্ছে, এটি মাইকোপ্লাজম নিউমোনিয়া। তাঁরা বলছেন, এটি সাধারণভাবে পাঁচ বছরের বেশি বয়সী, স্কুলের শিশুদের মধ্যে দেখা যায়। ছোট শিশুদের মধ্যে নয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জনগণকে ভ্যাকসিন দেওয়া, অসুস্থ ব্যক্তিদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা এহং মাস্ক পরা-সহ বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন। এছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বিশ্বব্যাপী সংক্রামক ক্লাস্টারগুলির বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানতে চায়।

চিন ও বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ভারতীয় চিকিৎসক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনের এই সংক্রমণ বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া বা ভারতে পৌঁছনোর তাৎক্ষণিক ঝুঁকি নেই। তবে এব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ভারতেরও ইনফ্লুয়েঞ্জা বৃদ্ধি পেতে পারে। সেক্ষেত্রে ভ্যাকসিনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+