• search

অসমে 'বাঙালি খেদাও অভিযান'-এর এক দীর্ঘ 'যড়যন্ত্র'! যার প্রথম পর্বের আজ সমাপ্তি

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই প্রকাশ করা হবে অসমের নগারিক পঞ্জিকরণের চূড়ান্ত খসড়া। নাগরিক পঞ্জিকরণ নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। এখনও রয়েছে। কারণ এই নাগরিক পঞ্জিকরণ বৈধ নাগরিকত্ব-এর নামে আসলে বাংলাভাষীদের উপরে আক্রমণ বলেই অভিযোগ অসমের নাগরিক অধিকার রক্ষা সমন্বয় সমিতি-র। 

    বাঙালিকে দ্বিখণ্ডিত করার আরও এক প্রয়াস

    ব্রহ্মপুত্র ও বরাক উপত্যকায় বসবাসকারী বাঙালিদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই স্বঘোষিত অসমিয়ারা আপত্তি জানিয়ে এসেছে। শষ্য-শ্যামলা-উর্বরা বরাক উপত্যকা ব্রিটিশরাই অসমের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিল। যদিও, বরাক উপত্যকা ছিল বাংলা-এর অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যার জেরে বরাক উপত্যকার কাছাড়, সিলেট ও গোয়ালপাড়া- এই তিন জেলা অসমের সঙ্গে জুড়ে যায়। বাংলার একটা অংশ কেটে অসমের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া নিয়ে ব্রিটিশদের দুটো অভিসন্ধি ছিল- ১। অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল অসমকে শক্তিশালী করা। ২। ব্রিটিশ রাজের মাথাব্যাথার কারণ বাঙালি ও বাংলাকে সুপরকল্পিতভাবে ভেঙে ফেলা। ১৯৪৭ সালে সিলেট গণভোটের মাধ্যমে পূর্বপাকিস্তানে ফিরে যায়। বর্তমানে বরাক উপত্যকায় রয়েছে তিনটি জেলা- কাছাড়, হাইলাকান্দি ও করিমগঞ্জ। এগুলি সবই বাঙালি অধ্যুষিত। মূলত এই এলাকাগুলিতে বাঙালি হিন্দু ও মুসলিমদেরই বাস।

    ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় বাঙালিদের ছড়িয়ে পড়ার পিছনেও রয়েছে ইতিহাস। কারণ, বরাক উপত্যকায় নিম্নবর্ণের হিন্দুদের মধ্যে অতিতকালে ধর্মান্তকরণের প্রবণতা শুরু হয়েছিল। যার জেরে বরাক উপত্যকা বহু নিম্নবর্ণের হিন্দু ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। ব্রিটিশরা এই বাঙালি মুসলিম ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় শ্রমিক হিসাবে নিয়ে যেতে শুরু করে। সেখানে চা-বাগানের কাজ থেকে শুরু করে জঙ্গলে কাঠ কাটা ও চাষবাসের কাজে এই বাঙালি মুসলিমদের লাগানো হত। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার মাটি বরাকের মতো উর্বরা নয়। তাই সেখানে চাষ-বাসের কাজ করার খুব একটা চল ছিল না। পাশাপাশি ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় নারীকেন্দ্রীক সমাজে থাকা পুরুষদের মধ্যে কাজ করার সেরকম চাহিদাও ছিল না। তাই ব্রিটিশরা বরাক উপত্যকার শ্রমিকদেরই তাঁদের বিভিন্ন কাজে ব্যবহারে পছন্দ করতেন। এমনকী ব্যবসায়ী হিসাবে মারোয়াড়িদেরই রমরমা এই অঞ্চলে।

    দেশভাগের প্রভাব অসমেও পড়েছিল। ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম লগ্নে মুসলিম লিগ এমন প্রস্তাব দিয়েছিল যে অসমে পূর্ববঙ্গের মধ্যে প্রায় ঢুকে যাচ্ছিল। অথচ অসম ছিল হিন্দু অধ্যুষিত। স্বাভাবিকভাবে এই নিয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী গোপীনাথ বরদলৈ মহাত্মা গান্ধী থেকে জহরলাল নেহরুর সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন। তৎকালীন অসম কংগ্রেস সরকারের আরও দাবি ছিল যে সেখানে বসবাসকারী মুসলিমদের পূর্ববঙ্গে চলে যেতে হবে। কিন্তু দেশভাগের সময় তা হয়নি। উল্টে অসম সন্নিবিষ্ট পূর্ববঙ্গ থেকে বহু বাংলাভাষী হিন্দু অসমে চলে আসেন। অসম সরকার পূর্ববঙ্গ থেকে আসা এই জনগণের দায় নিতে রাজি ছিল না। ব্রিটিশ শাসনকালের শেষ থেকেই অসমের জাতিসত্তাকে তুলে ধরতে একটা কট্টরপন্থীরা সরব হয়েছিলেন। ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য গঠনে এই সমস্যা আরও প্রগাঢ় হয়ে পড়েছিল। কারণ অসমিয়াভাষীরা বাংলা প্রভাবকে কিছুতেই স্বীকৃতি দিতে রাজি ছিল না। যার জেরে বারাক উপত্যকা বাংঙালি অধ্যুষিত হলেও তাঁদের মুচলেকা দিয়ে অসমিয়াকে প্রধানভাষা হিসাবে গ্রহণ করতে হয়েছিল। একই মুচলেকা দিতে হয়েছিল ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় বসবাসকারী বাঙালিদেরও। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় নাগরিক পঞ্জিকরণের কাজ শুরু হয়। এই নাগরিক পঞ্জিকরণের উদ্দেশ্য ছিল যারা ভূমিপুত্র তাদের অরিজিনাল ইনহ্যাবিট্যান্ট হিসাবে ঘোষিত করা, আর অন্যদের নন-অরিজিনাল ইনহ্যাবিট্যান্ট বা বিদেশি-র বিভাগে ফেলা।

    শুরু থেকেই এই নাগরিক পঞ্জিকরণ নিয়ে বাংলাভাষীদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। এই ক্ষোভের সূচনা হয়েছিল ১৯৪৮ সালে অসমিয়াভাষীদের সঙ্গে বাঙালিদের দাঙ্গায়। ১৯৫৫ সালেও গোয়ালপাড়া জেলায় ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। ১৯৬০ সালে পাকাপাকিভাবে শুরু হয় অসমে বাঙালি খেদাও অভিযান। কামরূপ জেলার গোরেস্বরে পঁচিশটি গ্রামে বাঙালিদের উপরে হামলা হয়। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। জখম হয়েছিল ১০০ জন। স্বাধীনতার পর থেকে ইতিমধ্যে কয়েক লক্ষ বাঙালি অসম থেকে অন্য রাজ্যে স্থানান্তর হয়েছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাঙালি এসেছেন পশ্চিমবঙ্গে। অসম থেকে ভিটে-মাটি ছেড়ে চলে আসা এই বাঙালিদের মধ্যে অধিকাংশই হয় সেখানকার আদি বাসিন্দা বা ১৯৪৭-এ দেশভাগের সময় পূর্ববঙ্গ থেকে এসে অসমে এসে বাসা বেঁধেছিলেন।

    অসমে বাঙালিদের বিরুদ্ধে উগ্রপন্থা নীতির প্রবর্তক ছিল কংগ্রেস। স্বাধীনতার আগে থেকেই অসমিয়াভাষী কংগ্রেস নেতারা বাংলাভাষী হিন্দুদের নানা ভাবে দমন-পীড়নের শিকার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, কংগ্রেসের মতো জাতীয় একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে এই অবস্থানে থাকাটা অসুবিধাই হচ্ছিল। কারণ জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে বাঙালিদের উপর হওয়া অত্যাচারে প্রত্যক্ষ মদত দেওয়াটা সম্ভব ছিল না। ফলে বাঙালি খেদাও অভিযানে আস্তে আস্তে প্রাধান্য বিস্তার করতে থাকে অসমের আঞ্চলিক দলগুলি। যারমধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অসম গণ পরিষদ এবং এর ছাত্র সংগঠন অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন। ষাটের দশক থেকে অসমের বুকে শুরু বাঙালি নিধন যজ্ঞ। এর সঙ্গে যুক্ত হয় অসমের জঙ্গি সংগঠনগুলির অত্যাচার। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য উলফা এবং বোড়ো জঙ্গিরা। উলফার অত্যাচার এতটাই বাড়াবাড়ি-তে পৌঁছেছিলো যে চাপে পড়ে অসম সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হয়। আর এই পদক্ষেপেই উলফার বাড়বাড়ন্ত কমে যায়। বাংলাদেশ ও মায়ানমার সীমান্তে থাকা উলফার সমস্ত ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।

    হিংসার মধ্যে দিয়ে বাংলাভাষীদের দমন করে অসমের সাধারণ মানুষের মন পাওয়া চেষ্টা করছিল অসম গণ পরিষদ। তাদের নেতা প্রফুল্ল মহন্ত এই বাঙালি খেদাও-এর নাম করেই কার্যত বছরের পর বছর মুখ্যমন্ত্রীত্বে টিকে ছিলেন। কিন্তু এত হিংসার বহরে অগপ- থেকে অসমভাষী সাধারণ মানুষের মন উঠে যেতে থাকে। একটা সময় প্রাসঙ্গিকতাই হারিয়ে ফেলে অগপ। তাঁদের বেশকিছু নেতা বিজেপি-তে যোগ দেয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম সদানন্দ সবরওয়াল। যিনি আবার অগপ-র ছাত্র সংগঠন আসু-র কট্টরপন্থী নেতা এবং বাঙালি খেদাও অভিযানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।

    ২০১৫ ও ২০১৬ সালে ফের অসমভাষীদের সঙ্গে বাংলাভাষীদের সংঘর্ষ হয়। এ যাত্রাতেও ৫০-এর বেশি লোকের মৃত্য হয়। ফের অসমে বাংলাভাষীদের বিরুদ্ধে অসন্তোষ চাগাড় দিয়ে ওঠে। এই সংঘর্ষের ঘটনা ছিল সাজানো ও সুপরিকল্পিত তা বহুবার বলে এসেছে অসমে মানবাধিকার নিয়ে লড়াই করে চলা বাঙালি সংগঠনগুলি। বিষয়টা আরও পরিষ্কার হয়ে ওঠে যখন বিধানসভা নির্বাচনে বাঙালি খেদাও অভিযানকে ভোটে ইস্যু বানায় বিজেপি। দেখা যায় বিধানসভা ভোটে বিজেপি যাদের মুখ করেছিল তাদের অধিকাংশই একটা সময় অগপ এবং তাঁর ছাত্র সংগঠন আসু-র সঙ্গে যুক্ত। এমনকী, অতিতে এঁদের অনেকের বিরুদ্ধে উলফা জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষারও অভিযোগ উঠেছিল। সুতরাং বাঙালি খেদাও অভিযান যে এবার রাজনৈতিকভাবে শুরু হবে তা অসমে বসবাসকারী বাঙালিরা বুঝতেই পেরেছিলেন। কিন্তু তা বলে যে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে অসমে বসবাসকারী বাঙালিদের উপরেও নন-অরিজিনাল ইনহ্যাবিট্যান্টের তকমা জুটবে তা সহজে অনুমেয় ছিল না।

    এনআরসি নিয়ে অসমে যা চলছে তা শুধু তো কোনও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, একে ঘিরে নানা ধরনের হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। অভিযোগ পুলিশ থেকে শুরু করে সরকারি আধিকারিক প্রত্যেকের হাতেই হেনস্থা হতে হচ্ছে বাঙালিদের। অনেকের মতে এ যেন অসম জুড়ে বাঙালি শুদ্ধিকরণ শুরু হয়েছে। যারাই এই এনআরসি-র বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন তাঁদের ডি-ভোটার বা ডাউটফুল ভোটারের বিভাগে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এনআরসি- থেকে কয়েক লক্ষ বাঙালির নাম বাদ পড়েছে। অথচ এঁদের অধিকাংশই পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে অসমের স্থায়ী বাসিন্দা। এমন এমন কিছু নথি চাওয়া হচ্ছে যা দেখাতে না পারলেই ডি-ভোটারের তালিকায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে।

    অসম সরকারের এক মন্ত্রী তো মাঝখানে দাবি করেছিলেন এই সব ডি-ভোটার বাংলাদেশ থেকে এসেছেন, এঁদের সেখানেই ফেরত পাঠানো হবে। বাংলাদেশ সরকারও ভিতরে ভিতরে জানিয়ে দিয়েছে অসমের ডি-ভোটার তাদের দেশের বাসিন্দা তার প্রমাণ কোথায়। প্রবাসী বাঙালিদের সহজ ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু, অসম সরকার থেকে নাকি পশ্চিমবঙ্গ সরকারকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সেখানকার ডি-ভোটারদের যেন এ রাজ্যে ঢুকতে না দেওয়া হয়।

    তাহলে, এই বাঙালিরা যাবেন কোথায়? সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠেছেন। কারণ এনআরসি থেকে নাম বাদ যাওয়া এইসব বাঙালিদের মধ্যে এমন বহু মানুষ আছেন যারা সরকারি চাকরি করেন, অনেকে আবার সাংবাদিক পেশার সঙ্গেও যুক্ত। এছাড়াও রয়েছে ব্যবসা বা অন্য কোনও ধরনের জীবিকা নির্বাহ করা মানুষের দল।

    অনুপ্রবেশ যে কোনও দেশেরই সমস্যা। গত চার বছরে বিশ্বজুড়ে কয়েক কোটি মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে ভিন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। বিষয়টি এতটাই উদ্বেগজনক যে বিশ্বজুড়ে কাজ করে চলা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে বিস্তারিত রিপোর্টও জমা করেছে। এই উদ্বাস্তু হওয়া মানুষগুলি হয় সন্ত্রাসের বলি হয়ে উদ্বাস্তু হয়েছেন অথবা অনুন্নত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাস করে উন্নত অর্থনৈতিক অঞ্চলে আর্থিক স্বচ্ছলতা আনার তাগিদে ভিন দেশে চলে গিয়েছেন। সুস্থ ও সবল জীবনের জন্য এক স্থান থেকে অন্যস্থানে মানুষের চলে যাওয়ার এই চল কোনওভাবেই রাজনৈতিক বা অনভিপ্রেত নয়। কারণ, মানুষের সভ্যতার ক্রমবিকাশে আদি কাল থেকে এই প্রবণতা ছিল। এর জন্য বিশ্বজুড়ে মানুষিক সভ্যতার বিকাশ লাভ ঘটেছে। দেশ-সীমান্তের কঠিন বেড়াজালও এই প্রবণতাকে থামাতে পারেনি। 

    অনুপ্রবেশ সমস্যাকে যে দমন-পীড়ন করে মেটানো সম্ভব নয় তা বহুদিন ধরেই তাদের গবেষণায় বলে আসছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। এমনকী ইউরোপিয়ান দেশগুলোও- বিশেষ করে ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, নেদারল্যান্ডস, ব্রিটেন একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছে অনুপ্রবেশ সমস্যাকে নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে কিছু নিয়ম-নীতির বেড়াজালে এর প্রবণতাকে কমানো সম্ভব। কিন্তু আমাদের দেশ ভারতবর্ষ এই কথাটা কবে বুঝবে? যেখানে রাজনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে ধর্ম আর ভাষা। যেখানে যে জনগোষ্ঠীর ধার ও ভার বেশি সেখানে তাদেরই আধিপত্য চলবে। আর তাই ভারতবর্ষের বুকে ১৯৪৭-এ শিখ ও বাঙালি উদ্বাস্তু নিয়ে যে সমস্যা ছিল আজও তাকে জিইয়ে রাখা হয়েছে রাজনৈতিক স্বার্থে। বাঙালিরা আত্মঘাতী জাতি। তাই অসমের বুকে সরকারি মদতে এতবড় বাঙালি নিধন যজ্ঞ শুরুর পরেও বাঙালিরা এক হতে পারেনি। চুপ করে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মানুষ। 

    (কৃতজ্ঞতা স্বীকার- হস্তান্তর- শংকর ঘোষ, কিছু জরুরি তথ্যের প্রেক্ষিতে আসামে বেপরোয়া বাঙালি বিতারণ-গ্রন্থনা তপোধীর ভট্টাচার্য, impact of Citizenship Act on Partition Victim-Bengalis and Violation of Human Rights in India- Sanjib Deblaskar, UN Report on Refugee Problem)

    English summary
    Final draft of NRC will publish after some hours. But there are lots of controversies with NRC's implementation. Many Bengalis say the name is being curtail from the list deliberately to gain the political mileage.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more