• search

কান্নায় বিরক্ত হয়ে তিনদিন বয়সী শিশুর পা ভাঙল হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়

  • By Ritesh Ghosh
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    হরিদ্বার, ৭ ফেব্রুয়ারি : রুরকির একটি বেসরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় তিন দিন বয়সী শিশুর কান্নায় বিরক্ত হয়ে তার পা ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠল।[৬৭ বছর বয়সে সারোগেট মা হলেন এক মহিলা, জন্ম দিলেন নিজের মেয়েরই সন্তানের]

    জানা গিয়েছে, গত মাসের ২৫ জানুয়ারি রুরকির হাসপাতালে জন্মেছিল শিশুপুত্রটি। ২৮ জানুয়ারি এমন ঘটনা ঘটেছে। কান্নায় বিরক্ত হয়ে ওয়ার্ড বয় হাত দিয়ে সদ্যজাতের পা মচকে ভেঙে দিয়েছে।[সিনেমার মতোই অসুস্থ শিশুকন্যার জীবন বাঁচালেন 'বাহুবলী' বাবা !]

    কান্নায় বিরক্ত হয়ে তিনদিন বয়সী শিশুর পা ভাঙল হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়

    পুলিশে যে অভিযোগ জমা করেছেন শিশুর পিতা তাতে বলা হয়েছে, জন্মের পর বেসরকারি হাসপাতালে শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা নিয়ে সদ্যজাত শিশুটি ভর্তি ছিল। শরীর ভালো না থাকায় সে খুব কাঁদছিল। আর সেই কান্না সহ্য করতে না পেরে ওয়ার্ড বয় কারও না থাকার সুযোগে শিশুটির পা ভেঙে দেয়।[নারী-পুরুষ একে অপরকে ছাড়াই জন্ম দিতে পারবে সন্তানের!]

    তবে ওয়ার্ড বয়ের এই ধরনের বর্বর আচরণ খুব সহজেই সকলের চোখে ধরা পড়ে যায়। অন্য হাসপাতালে শিশুটিকে স্থানান্তরিত করা হলে সেখানে দেখা যায় সদ্যজাতের একটি পা ভাঙা রয়েছে। এরপর হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজেও বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে ওঠে।[ভারতে সর্বপ্রথম : 'ত্বকবিহীন' শিশু জন্ম নিল নাগপুরে]

    এই ঘটনার পরে পুলিশে অভিযোগ জানানো হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। হরিদ্বারের এসএসপি কেভি কৃষ্ণকুমার জানিয়েছেন, গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দোষীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    English summary
    A ward boy at a private hospital in Roorkee allegedly broke one of the legs of a three-day-old infant as he was annoyed with the baby crying incessantly.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more