৩৬ টি গুলির শব্দে সেদিন স্তম্ভিত হয় গান্ধী পরিবার! ইন্দিরার মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল
ততক্ষণে সোনিয়া গান্ধী ঘরের মধ্যেই ছিলেন। স্নান সেরে বেরিয়ে রাজীব ঘরনী ততক্ষণে মধ্যাহ্নভোজের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এরপরই শুনেত পান টানা ৩৬ টি গুলির আওয়াজ। প্রাথমিকভাবে তাঁর মনে হয়েছিল যে অকাল দিওয়ালি। কিন্তু ততক্ষেণ প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাসভবনের বাগান রক্তাক্ত। আর নিথর হয়ে লুটিয়ে পড়ে রয়েছে দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দেহ।

বিধ্বস্ত সোনিয়া এরপর কী করেছিলেন?
পর পর গুলির আওয়াজ শুনে ছুটতে ছুটতে বাড়ির বাগানের দিকে চলে যান সোনিয়া। শোনা যায়, 'মাম্মি' ডাকের সঙ্গে ততক্ষণে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন সোনিয়া। ততক্ষণে ইন্দিরার মৃতদেহের সামনেই হতবাক সোনিয়া বসে পড়েন।

আসে অ্যাম্বাসাডর, মুহূর্তে ছুটে যায় এইমসের দিকে
ইন্দিরার অমন রক্তাক্ত মতৃদেহ মুহূর্তে অ্য়াম্বাসাডরে তুলে তা ছুটতে শুরু করে এইমস-এর দিকে। গোটা দেশে তখন খবর প্রকাশ হতে থাকে, যে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী গুলিবিদ্ধ। তাঁর বিশ্বস্ত নিরাপত্তা রক্ষীর হাতেই তিনি গুলিবিদ্ধ হন। আর এইমস-এ পৌঁছতেই প্রধানমন্ত্রীকে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

৩১ অক্টোবরের বীভৎস ঘটনার আগে ইন্দিরা কী করেছিলেন?
১৯৮৪ সাল, ৩১ অক্টোবর। ইন্দিরা সকালে উঠে রাহুল , প্রিয়ঙ্কাদের আদর করে চুম্বন করেন।এরপর তারা স্কুলে গেলে তাদের গাড়িতে তুলে দিয়ে আসেন। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী মনে করেন, সেদিন যেন একটু বেশিই আদর তিনি পেয়েছিলেন ঠাকুমা ইন্দিরার থেকে।

সেদিন বাগানে কী ঘটেছিল?
প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন কাজের মধ্যে , সেদিন এক প্রিন্সেস-এর সঙ্গে বিশেষ ডিনার -এ যাওয়ার কথা ছিল ইন্দিরার। সকাল ৯:১২ নাগাদ বাগানে হাঁটা শুরু করেন ইন্দিরা। ১ সফদরজঙ্গ রোড আর ১আকবর রোডের মাঝে যে গেটটি ছিল ঠিস সেখানেই নিরাপত্ত রক্ষীদের সামনে যেতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর কোলে লুটিয়ে পড়েন ইন্দিরা। ততক্ষণে ইন্দিরার সঙ্গে ছিলেন নারায়ণ সিং। যিনি ছাতা ধরেছিলেন ইন্দিরার মাথায়। আতঙ্কে নারায়ণ চিৎকার করতে থাকেন। কিন্তু ততক্ষণে ৩৬ টি গুলি চলে গিয়েছে দেশের একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রীর দেহে।












Click it and Unblock the Notifications