• search

আন্দামান: অগ্ন্যুৎপাতের পরও বেড়াতে যাওয়া যাবে ব্যারেন দ্বীপে !

  • By Sritama Mitra
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    পোর্ট ব্লেয়ার, ২১ ফেব্রুয়ারি : কিছুদিন আগেই আন্দামানের ব্যারেন দ্বীপে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছাড়ায়। হঠাৎই ঘুম ভেঙে জেগে ওঠে ব্যারেন দ্বীপে অবস্থিত আগ্নেয়গিরি। তবে এই ঘটনার পর, সেখানে এখন পর্যটকদের ভিড় জমবে কী না তা নিয়ে অনেকর মনেই ছিল প্রশ্ন।

    জানা গিয়েছে, ব্যারেন দ্বীপের ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর সেই জায়গা ঘুরে আসতেই পারেন পর্যটকরা। তবে সেখানে যেতে গেলে লাগবে পোর্ট ব্লেয়ার প্রশাসনের তরফে অনুমতি। পোর্টব্লেয়ার থেকে ১৪০ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে আন্দামান সাগরে অবস্থিত এই দ্বিপে চার্টাড নৌকা ভাড়া করে বেড়াতে যান অনেকেই।

    আন্দামান: অগ্ন্যুৎপাতের পরও বেড়াতে যাওয়া যাবে ব্যারেন দ্বীপে !

    তবে কিছুদিন আগে এই ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি থেকে নিঃসৃত হতে থাকে কালো ধোঁয়ার সঙ্গে প্রচণ্ড লাভা। এখনও ক্রমাগত বেরিয়ে চলেছে ছাই ও লাভা। ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য হলেও উদ্গীরণ ক্রমাগতই লক্ষ করা গিয়েছে এই দ্বীপে।

    কিছুদিন আগে, সূর্যাস্তের পর দেখা গিয়েছে আগ্নেয়গিরিটি থেকে প্রবল ধোঁয়ার সঙ্গে বেরিয়ে আসে লাল লাভা। এছা়ড়াও বেশ কয়েকটি কয়লা জাতীয় পদার্থ মিলেছে লাভা নিঃসরণ থেকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিঃসরণ থেকে বেরিয়ে আসা পদার্থ গুলি বর্তমানে খতিয়ে দেখছেন ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ওসিয়ানো গ্রাফি এবং কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের বিজ্ঞানীরা।

    ১৫০ বছর ধরে এই আগ্নেয়গিরি পরিত্যাক্ত থাকার পর, ১৯৯১ সালে প্রথমবার অগ্ন্যুৎগিরণের লক্ষণ দেখা যায় এই আগ্নেয়গিরিতে। এরপর কিছুদিন আগে আবার নতুন করে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে এই দ্বীপের আগ্নেগিরিটির জীবন্ত হওয়ার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করছেন বিজ্ঞানীরা।

    English summary
    The volcanic island is uninhabited and its northern part is, as the name suggests, barren and devoid of vegetation. Indian citizens can visit the island by chartered boats after obtaining permission from the forest department in Port Blair.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more