গালওয়ানে পিছু হটেও চিনের নজরে লাদাখ! ড্রাগন বাহিনীর মতলব বুঝে বিশেষ 'অপারেশন' ভারতীয় বায়ুসেনার
চিন পিছু হটলেও সীমান্তে সক্রিয় রয়েছে ভারতীয় সেনা৷ গতরাতে ভারত-চিন সীমান্তে রাত্রিকালীন টহল দিতে দেখা গেল ভারতীয় বায়ুসেনার অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, চিনুক হেলিকপ্টার ও মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানকে৷ প্রসঙ্গত, ১৫ জুন ভারত ও চিনা সেনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল রাতের অন্ধকারেই। তাই আগাম সতর্কতা হিসাবেই চিনের উপর নজরদারি চালাতে ভারতীয় বায়ুসেনার এই পদক্ষেপ।

যেকোনও অপারেশনের জন্য ভারতীয় বায়ুসেনা সম্পূর্ণ প্রস্তুত
রাত্রিকালীন টহল সম্পর্কে যুদ্ধবিমানের সিনিয়র পাইলট ও গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ রাঠি বলেন, 'রাতের এই অপারেশনের জন্য ভারতীয় বায়ুসেনা সম্পূর্ণ প্রস্তুত৷ আধুনিক যন্ত্র ও সক্রিয় সেনাবাহিনীর সাহায্যে বায়ুসেনা বর্তমানে যেকোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম৷'

কোনও ঝুঁকি নেওয়া হবে না
উচ্চপর্যায়ে সেনাসূত্রে খবর, চিন বাহিনী প্রত্যাহার করলেও ভবিষ্যতে কোনও ঝুঁকি নেওয়া হবে না, তাই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সেনা মোতায়েন জারি থাকবে। পূর্ব লাদাখ সেক্টরে চরম ঠান্ডার জন্য হাজারটি তাঁবু ফেলার নির্দেশিকা আসতে চলেছে সেনার তরফে।

৩০ হাজারের বেশি অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন লাদাখে
এদিকে চিনা আগ্রাসন রুখতে ইতিমধ্যেই ৩০ হাজারের বেশি অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। লাদাখ সেক্টরে চরম ঠান্ডার কথা মাথায় রেখে এই বিশাল বাহিনীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে নির্দেশিকা জারি করতে চলেছে ভারতীয় সেনা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা মোতায়েন সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সময়সীমা পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হবে বলে মনে করছেন সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা। তাই আবহাওয়ার কথা চিন্তা করে এখন থেকেই সেনা-জওয়ানদের জন্য এলএসি-তে তাঁবুর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।

লাদাখ সংঘাত দীর্ঘ হতে চলেছে
চিন ইতিমধ্যেই তাদের বিশেষ শীতকালীন তাঁবুগুলিতে পিচিং শুরু করেছে। সিয়াচেন হিমবাহে একই ধরনের তাঁবু এবং কাঠামো রয়েছে এমন কয়েকটি পূর্ব লাদাখ সেক্টরেও ব্যবহার করছে ভারতীয সেনা। ভারত এবং ইউরোপ উভয় বাজারেই এ'জাতীয় তাঁবুগুলির খোঁজ করা হচ্ছে, কারণ প্রচন্ড শীত শুরুর আগেই ওই তাঁবু ফেলতে চায় সেনা।












Click it and Unblock the Notifications