ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

মাত্র ১৩ বছর বয়সে ডাকাত ধরে বীরতা পুরস্কারে সম্মানিত গুজরাতের মিত্তল

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    সাহস থাকলে বিশ্বজয় করা যায়। এটা আপ্তবাক্য হলেও তা প্রমাণ করে ছেড়েছেন মিত্তল পাতাদিয়া। বাড়িতে ডাকাত পড়লেও ছোট্ট মিত্তল ভয়ে কুকড়ে যায়নি বা পালিয়ে যায়নি। বরং সাহস নিয়ে ডাকাতের মোকাবিলা করেছে। তার উপস্থিত বুদ্ধির জেরে ডাকাতরা বমাল ধরা পড়েছে। আর সেই সাহসিকতাই মিত্তলকে সাহসিকতার জন্য জাতীয় পুরস্কার এনে দিয়েছে।

    মাত্র ১৩ বছর বয়সে ডাকাত ধরে বীরতা পুরস্কারে সম্মানিত মিত্তল

    গুজরাতের বাসিন্দা মিত্তলের বাবার নাম মহেন্দ্র পাতাদিয়া। তিনি পেশায় রঙের মিস্ত্রি। তাঁর মেয়ে মিত্তলকে দত্তক নেয় তেহলানি পরিবার। তাদের বাড়িতেই মানুষ মিত্তল।

    ২০১০ সালের ৩ নভেম্বর ধনতেরসের দিন তেহলানি বাড়িতে ডাকাত পড়ে। পরিবারের পরিচিত অজিতসিং রেহওয়াত নামে এক অটো ড্রাইভার দরজায় ডোরবেল বাজিয়ে বাড়িতে ঢুকে গৃহিনী কবিতা তেহলানির উপরে হামলা চালায়। তার সঙ্গে আরও দুই ডাকাতও ছিল।

    মাত্র ১৩ বছর বয়সে ডাকাত ধরে বীরতা পুরস্কারে সম্মানিত গুজরাতের মিত্তল

    দুজনে মিলে কবিতাদেবীকে ধরে রাখে। আর একজন ছুটে আসে মিত্তলের দিকে। মূল্যবান সামগ্রী একজায়গায় জড়ো করতে থাকে ডাকাত দল। মিত্তল চেঁচালে ডাকাতরা গলায় ছুরি চালিয়ে দেয়। রক্তাক্ত মিত্তল সেই অবস্থাতে কোনওমতে দরজা খুলে দিলে প্রতিবেশীরা ভিতরে ঢুকে ডাকাতদের ধরে ফেলে।

    বীরতা পুরস্কারে সম্মানিত গুজরাতের মিত্তল

    অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল মিত্তলের। সবমিলিয়ে মোট ৩৫১টি সেলাই পড়েছিল। নিজের জীবন বিপন্ন করে পালিত হওয়া পরিবারকে বাঁচানোয় ২০১২ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে সেইসময় ১৩ বছর বয়সী মিত্তলকে জাতীয় বীরতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। আজ অষ্টাদশী মিত্তল কিন্তু একইরকম সাহসী। এমন মানুষ দেশের গর্ব।

    English summary
    India's unsung hero: Mittal Patadiya, courage personified, a Bravery award winner

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more