জিডিপি ক্রমান্বয়ে পতন আমজনতার জীবনে কতটা প্রভাব ফেলবে?
দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক হিসেবেও কমল জিডিপি বৃদ্ধি। এই নিয়ে গত ৬ বার ত্রৈমাসিক জিডিপি বদ্ধির হারে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক হিসেবেও কমল জিডিপি বৃদ্ধির হার। এই নিয়ে গত ৬ বার ত্রৈমাসিক জিডিপি বদ্ধির হারে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এতে উদ্বেগ বাড়ছে মোদী সরকারের। দেশের এই আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরাও। এই নিয়ে এবার মোদী সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন শরিকরাও।

আরও কমল জিিডপি বৃদ্ধি
এই নিয়ে টানা ছ'বার কমল দেশের জিিডপি বৃদ্ধি। এবার ত্রৈমাসিক হিসেবে ৪.৫ শতাংশ কমেছে জিডিপি বৃদ্ধি। পরিস্থিতি যে আরও সংকট জনক অবস্থানে চলে যাচ্ছে সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সব জিনিসের দাম বাড়তে শুরু করেছে। মধ্যবিত্তের ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে জিনিসের দাম। বিশেষ করে সবজির দাম আকাশ ছোঁয়া হয়ে গিয়েছে। ১০০ টাকা দেজি দরে বিকোচ্ছে পেঁয়াজ। এই নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলেও।

কর্মসংস্থানে সংকট বাড়বে
দেশের আর্থিক পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে কর্মসংস্থানে সংকট আরও বাড়বে। এমনিতেই দেশের আর্থিক সংকটের কারণে একাধিক শিল্পক্ষেত্রে কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। একাধিক প্রতিষ্ঠানে চলছে কর্মী সঙ্কোচন। নতুন করে কর্মসংস্থান তৈরি হওয়া তো দূরের কথা উল্টে কর্মহীনতা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিিবদরা। কর্মহীনতা বাড়লে মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও কমতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই তার জের পড়তে শুরু করেছে বাজারে।

হাল ফেরাতে পারছে না সরকার
দেশের আর্থিক সমস্যা বেড়েই চলেছে। কোনওভাবেই তার হাল ফেরাতে পারছে না মোদী সরকার। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই বেশ কয়েক দফায় রেপোরেট কমিয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ইতিমধ্যেই আরও ১৯,১৭০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দের কথা অনুমোদন চেয়েছেন। ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষের বাজেটে ২৭.৮৬ লাখ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্পোরেট রেটও কমানো হয়ছে। কিন্তু তার পরেও হাল ফিরছে না। ডিসেম্বরে আবারও রেপোরেট কমাতে পারে রিজার্ভব্যাঙ্ক এমনই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications