লাদাখ নিয়ে রণনীতি বদলে কিভাবে চিনের টুঁটি চেপে ধরছে ভারত! দিল্লির সাঁড়াশি আক্রমণ অব্যাহত
চিনকে বাগে আনতে ক্রমাগত যুদ্ধবিদ্যার নীতিতে বদল আনতে শুরু করেছে ভারত।
চিনকে বাগে আনতে ক্রমাগত যুদ্ধবিদ্যার নীতিতে বদল আনতে শুরু করেছে ভারত। তা সে যুদ্ধের ময়দানের পেশী শক্তিই হোক বা যুদ্ধের আড়ালের নীতিই হোক, ভারত ক্রমাগত চিনকে মাত দিতে গিয়ে নিজের সংহার-মেজাজ বড় পরিবর্তন আনছে। কোন ছকে চিনের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি আক্রমণ ভারত শানাচ্ছে দেখে নেওয়া যাক।

স্ট্র্যাটেজি বদল
ধীরে অথচ পোক্তভাবে নিজের জমি ধরে রাখতে শুরু করেছে ভারত। পদাতিক সামরিক শক্তি বলে, চিনকে ব্যকফুটে রেখে ধীরে ধীরে লাদাখে বিজয়ের পতাকা ওড়াতে শুরু করেছে দেশ। অন্যদিকে, চিনের সঙ্গে আলোচনার রাস্তা খোলা রেখে কূটনীতির অস্বাভাবিক মানসিক চাপে বেজিংকে রাখছে দিল্লি। ফলে , এতদিন ভারত যেভাবে শুধু কূটনীতির চালে পরিস্থিতি নিয়ন্তরণ করেছে, এখন তাতে বদল এসেছে। এখন ভারত পেশীশক্তিতেও কথা বলা শুরু করে বিশ্বকে নিজেক তাকত বুঝিয়ে দিচ্ছে।

যুদ্ধনীতির অভিমুখ বদলের আভাস
২৪ অগাস্ট সিডিএস বিপিন রাওয়াত জানিয়েই দিয়েছিলেন যে, যদি কথায় কাজ না হয়, তাহলে পেশীশক্তিতে কথা হবে! আর সেই মতোই ভারত এবার লাদাখে নতুন করে একটি উঁচু এলাকা দখল করে , চিনকে বুঝিয়ে দিয়েছে বহুবলেও কথা বলতে পারে ভারত! উল্লেখ্য, ২৪ অগাস্ট বিপিন রাওয়াতের সেই বক্তব্য এসেছিল জাতীয় উপদেষ্টা ডোভাল ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর। ফলে স্ট্র্যাটেজি বদলের আভাস সেই দিনই ভারত দিয়ে দিয়েছে।

সিডিএসের বক্তব্যের পর মোদী সরকার কী করেছে?
বিপিন রাওয়াত সেদিন যা বলেছিলেন, তারপরই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার বার্তা দেন। মূলত, দিল্লি সাউথ ব্লকের অন্দরে কোন স্ট্র্যাটেজিতে চলতে চাইছে ,তা বাইরে যাতে না বের হয় ,তারই চেষ্টা এক্ষেত্রে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করেছেন বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। আর সেই ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যেই প্যানগংয়ের দক্ষিণে এলাকা দখল শুরু করে দেয় ভারত!

লাদাখে কোন সুবিধা পেতে পারে ভারত?
উল্লেখ্য, লাদাখে ধীরে ধীরে সুবিধার রাস্তা পেতে শুরু করেছে ভারত। যতই উঁচু এলাকা ভারত দখল করছে ততই যুদ্ধবিদ্যার ক্ষমতায় ভারত সুবিধা পাচ্ছে । যার সরাসরি প্রভাব চিন-ভারত বৈঠকে গিয়ে পড়ছে। ফলে এখন বৈঠকে চিনের মুখোমুখি হয়ে দাপট ধরে রাখতে পারছে ভারত।

মোদী সরকার ও চিনের বিরুদ্ধে স্ট্র্যাটেজি
সামনে বহু রাজ্যেই নির্বাচন। তার আগে চিনের এই আগ্রাসী আস্ফালনের মুখে যাতে মোদী সরকার মুখ থুবড়ে না পড়ে, তার জন্য সর্বোতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দিল্লি। আর সেই কারণেই কূটনীতির আলোচনায় কাজ না হলে, বাহুবলের রাস্তা নিতে শুরু করেছে লাদাখে মোতায়েন দেশের সেনা। সবমিলিয়ে ভারতের পরিবর্তি ত নীতিতে পরিবর্তনের জেরে তিন ভারতের ছক বুঝতে সমস্যায় পড়ছে।












Click it and Unblock the Notifications