ইমরান খান 'টেররিস্তান'-এর রাষ্ট্রপ্রধান, নানকানা সাহিব নিয়ে তোপ বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্রের
ইমরান খান 'টেররিস্তান'-এর রাষ্ট্রপ্রধান, নানকানা সাহিব নিয়ে তোপ বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্রের
নানকানা সাহিব গুরুদ্বারে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কড়া সমালোচনা করলেন বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। এদিন ইমরানকে তোপ দেগে সম্বিত কটাক্ষের সুরে বলেন, 'ইমরান খান যেই দেশের প্রধান তার নাম টেররিস্তান। আমাদের দাবি অবিলম্বে তিনি নানকানা সাহিব ঘটনা প্রসঙ্গে কিছু বলুত ও পদক্ষেপ নিক। ভারতে সংখ্যালগুদের নিয়ে বলার আগে তার উচিত পাকিস্তানের পরিস্থিতি সামাল দেওয়া।'

আজ নানকানা সাহিব নিয়ে মুখ খোলেন ইমরান
এর আগে আজ সকালে নানকানা সাহিব ঘটনার দুই দিন পর মুখ খোলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এই ঘনটার নিন্দা জানিয়ে ইমরান দাবি করেন, এরকম ঘটনার বিষয়ে তাঁর সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। তিনি বলেন, 'যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। পুলিশ ও আইন নিজের পথে চলবে। সরকার কোনও দোষীকে আড়াল করবে না।'

মোদীকে তোপ দাগেন ইমরান
এরপর ইমরান ঘুরিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে এক হাত নেন। ইমরান বলেন, 'মোদীর আরএসএস দর্শন সেদেশের সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারকে সমর্থন করে। তাদের নীতি সেদেশের মুসলিমদের আক্রমণ করা। আরএসএস-এর গুন্ডারা গণপ্রহারের মাধ্যমে মুসলিমদের মারে। এবং এই সব ঘটনায় মোদী সরকারের সমর্থন থাকে। এমন কী সরকারের পুলিশও দেশের মুসলিমদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়।'

সম্বিত পাত্রের পাল্টা আক্রমণ
এই প্রসঙ্গেই সম্বত পাত্র ইমরানকে তোপ দেগে বলেন, 'আজ ভারতের জনগণ ইমরান খানকে সতর্ক বার্তা দিচ্ছে। তিনি তাঁর নিজের দেশের পরিস্থিতি দেখুন। দেশ ভাগের পর পাকিস্তানের সংখ্যালঘুর সংখ্যা ২৩ শতাংশ থেকে কমে ১.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। নানকানা সাহিবের ঘটনা ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পেশাওয়ারে রবিন্দর সিং নামক এক শিখ যুবককে গুলি করে হত্যা করা হল। এই পরিস্থিতিতে ইমরান খানের কোনও অধিকার নেই কোনও কথা বলার।'

নানকানা সাহিব ঘটনা
শুক্রবার লাহোরের নিকটবর্তী নানকানা সাহেব গুরুদ্বারে হামলা চালিয়েছিল একদল জনতা এবং এই বিক্ষোভের ফলে শিখ তীর্থযাত্রীদের দিকে পাথর ছুঁড়েছিল তারা। বিদেশমন্ত্রক এই ঘটনায় জানায়, পাকিস্তানের সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায়ের সদস্যরা নানকানা সাহেবে গুরুদ্বারে হিংসার শিকার হয়েছে।

নানকানা সাহিবের নাম বদলের হুমকি
শতাধিক বিক্ষুব্ধ মুসলিম বাসিন্দারা গুরুদ্বারে পাথর ছোড়েন পাকিস্তানের নানাকানা সাহিবে। শুক্রবার বিকেলে বিক্ষুব্ধ মুসলমানরা পবিত্র গুরুদ্বার ঘেরাও করে বহু ভক্তকে ভিতরে আটকে রাখে। আন্দোলনকারীরা গুরুদ্বারটি ধ্বংস করে সেই জায়গায় মসজিদ তৈরির হুমকিও দেয়। এই হামলা ও প্রতিবাদের ভাষা এমনভাবেই হয়েছিল যেন মসজিদ তৈরির জন্য গুরুদ্বারটি ধ্বংস করা হবে। শিখ বিরোধী নানা স্লোগানও দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, যে কোনও শিখকে শহরেই থাকতে দেওয়া হবে না। নানকানা সাহেব গুরুদ্বার থেকে নাম পরিবর্তন করে গোলামান-ই-মুস্তফা করা হবে এই সৌধকে।












Click it and Unblock the Notifications