ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে জীবিত সদ্যোজাতকে মৃত বলে ঘোষণা, কোথায় ঘটল এমন ঘটনা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    দিল্লির বেসরকারি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে জীবিত সদ্যোজাতকে মৃত বলে ঘোষণার ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ। ৩০ নভেম্বর যমজ শিশুর জন্ম হয়। এদের একজন ছিল মৃত। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে অপরজনকেও হাসপাতালের তরফে মৃত বলে জানানো হয়।

    সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে জীবিত সদ্যোজাতকে মৃত বলে ঘোষণা, কোথায় ঘটল এমন ঘটনা

    ৩০ নভেম্বর নয়া দিল্লির শালিমার বাগের ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে দুটি অপরিণত শিশুর জন্ম দেন বছর কুড়ির এক মহিলা বর্ষা। একটি শিশু প্রসব হয় মৃত অবস্থায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিজনদের এমনটাই জানিয়েছিল। ঘণ্টা খানের পরে হাসপাতালের তরফে দ্বিতীয় শিশুটিও মৃত বলে জানানো হয়।

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে বর্ষা ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। কিন্কু ২৮ নভেম্বর নাগাদ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানীয় এক নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়া হয়।

    এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুটি শিশুকে দুটি প্যাকেটে মুড়ে দেয়। তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে। সেই সময়ই একটি শিশু যে তখনও জীবিত তা দেখেন শিশুর পরিজনরাই। পরে শিশুটিকে অপর একটি বেসরকারি হাসপাতালে জীবনদায়ী ব্যবস্থার মাধ্যমে রাখা হয়।

    বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৮ নম্বর ধারায় ম্যাক্স হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দিল্লির উত্তর-পশ্চিমের ডিসিপি আসলাম খান জানিয়েছেন, দিল্লি মেডিকেল কাউন্সিল এবং মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াকে ডকুমেন্টস পাঠানো হয়েছে।

    ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট কেকে আগরওয়াল জানিয়েছেন, বিষয়টি চিকিৎসার ভুল। হাইপোর্থামিয়য় ভোগা শিশুকে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করতে পারেন না।
    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অপরিণত শিশুরা হাইপোথার্মিয়ার শিকার হয়। প্রাথমিক ভাবে তাদের কোনও মুভমেন্টস বোঝা যায় না। ডেথ সার্টিফিকেট লেখা চিকিৎসকের প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা রয়েছে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আইএমএ।

    English summary
    IMA orders probe after hospital declares living baby dead in Dehi's Max hospital

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more