ওড়িশা সীমান্তে আটকে শতাধিক বাংলার বাসিন্দা, হচ্ছেনা পর্যাপ্ত করোনা পরীক্ষা
ওড়িশা সীমান্তে আটকে শতাধিক বাংলার বাসিন্দা, হচ্ছেনা পর্যাপ্ত করোনা পরীক্ষা
করোনা আগ্রাসনে বাধা দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত সীমান্তগুলি বন্ধ করেছে। ফলত শুক্রবার থেকে পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা সীমান্তে আটক হয়ে রয়েছে প্রায় ১০০ টি পরিবার। এদের মধ্যে বেশির ভাগে দক্ষিণ ভারতে বিভিন্ন রোগের চিকিত্সার জন্য় গিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, বর্তমানে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের আপাতত জেলা পুলিশের উদ্যোগে অস্থায়ী তাঁবুতে রাখা হয়েছে।

অনিশ্চয়তায় রোগী ও তাঁদের পরিজনেরা
পশ্চিমবঙ্গ নিবাসী আরেসা বিবি (৩৫) তাঁর ১৮ বছর বয়সী বোনের কিডনির চিকিৎসা করাতে ভেলোর গিয়েছিলেন। প্রায় ১.৫ লাখ টাকা খরচ করে অ্যাম্বুল্যান্স পেলেও আরেসা ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে এসে আটকে যান। আরেসা জানান, "যে গাড়িতে করে এসেছি, তারা আমাদের থেকে জোর করে তৎক্ষণাৎ টাকা আদায় করে। আমরা প্রায় তিনটি রাজ্য পার করে এসেছি, কেউ আটকালো না অথচ নিজের রাজ্যেই ঢুকতে পারছি না। ৫ দিন ধরে আটক। কি হবে এরপর?"

প্রতি ১০০ জনে একটি করে শৌচালয়
অন্যদিকে মালতী দাস নামে অপর এক গৃহবধূও পুলিশের ভূমিকায় যথেষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এদিকে দুই সন্তানকে নিয়ে ভেলোরে চিকিৎসার জন্যে গিয়েছিলেন পীযুষ ঘোষ। পীযূষবাবুর মতে, "গত ৪-৫ দিন ধরে আমরা আটক এখানে। প্রতি ৩০০ জনের জন্যে মাত্র ৩ টি শৌচালয়। এরকম পরিকাঠামো নিয়ে কিভাবে করোনা রুখবে সরকার?"

কিছুদিনের মধ্যেই আইআইটি খড়গপুর হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত
পুলিশ আধিকারিক সূত্রে জানা গেছে, যাঁরা যাঁরা সীমান্তে আটক আছেন কিছুদিনের মধ্যেই তাঁদের করোনা পরীক্ষা হবে আইআইটি খড়গপুর হাসপাতালে। পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রধান স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডঃ গিরিশ চন্দ্র বেড়া জানিয়েছেন, "যাঁরা সীমান্তে আটক আছেন তাঁদের যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি করোনা পরীক্ষা হবে। যাঁদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে তাঁরা ফিরে যেতে পারবেন। আমরা আমাদের এই পরিকাঠামো নিয়েই যথাসম্ভব চেষ্টা করছি।" সূত্রের খবর, প্রতি চেকপোস্টে এক ঘন্টা অন্তর অ্যাম্বুল্যান্স চেক করার কথা, সেক্ষেত্রে বিলম্ব হওয়ায় আশঙ্কা বাড়ছে।












Click it and Unblock the Notifications