করোনা রুখতে টিকাই শেষ কথা, অ্যান্টিবডি সংক্রান্ত গবেষণায় নতুন আশার আলো
করোনা রুখতে টিকাই শেষ কথা, অ্যান্টিবডি সংক্রান্ত গবেষণায় নতুন আশার আলো
করোনা রুখতে ভ্যাকসিনই যে অন্যতম প্রধান হাতিয়ার তা বারংবার বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকী নিত্যনতুন ভ্যারিয়েন্টের দাপাদাপি ঠেকাতে ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ যে বিশেষ ভাবে প্রয়োজন তাও মনে করাচ্ছেন সকলে। এবার ভ্যাকসিন ও মানব শরীরে করোনা অ্যান্টিবডির বিষয়ে এক নয়া গবেষণা পত্র সামনে আনল লখনউয়ের কিং জর্জের মেডিকেল কলেজ। আর তাতেই ফের নতুন করে দাবি করা হয়েছে করোনা যুদ্ধে সবথেকে ভালো সাফল্য আসছে টিকাকরণেই।

অন্যদিকে একবার কোনও এক মানুষের শরীরে করোনা থাবা বসালে তারপর আগামী ছয় থেকে আট মাস সাধারণত তিনি নিরাপদ বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতির কারণে আর নতুন করে সংক্রমণের ঝঁকি থাকে না। তবে বর্তমান একাধিক গবেষণা বলছে এই মেয়াদ আদপে মাত্র তিন মাসের। তারপরই শরীর থেকে লোপ পায় সমস্ত করোনা বিরোধী অ্যান্টিবডি। সেই ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনই সংক্রমণ ঠেকানোর একমাত্র রাস্তা।
গবেষণায় এও দাবি করা হয়েছে যে সমস্ত ব্যক্তিরা করোনা সংক্রমণের পর ভ্যাকসিনের দুটি ডোজই নিয়েছেন তাদের শরীরে অ্যান্টিবডির স্থায়ীত্ব অনেক বেশি। উত্তরপ্রদেশের লখনউতে রক্ত ও ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ প্রায় দেড় মাস ধরে অ্যান্টিবডিগুলির উপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এই গবেষণার জন্য ২ হাজারেরও বেশি স্বাস্থ্যকর্মীর রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল বলেও জানা যাচ্ছে।
এদিকে টিকা নিয়ে নতুন করে আশার কথা শোনা গেলেও ভারতে টিকাকরণ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশই বাড়ছে। এমনকী জুনের থেকে জুলাইয়ের টিকাকরণে অনেকটাই পারাপতন দেখা যাচ্ছে। এদিকে ভারতে এখনও পর্যন্ত করোনা টিকা পেয়েছেন ২৭ শতাংশ মানুষ। টিকার দুটি ডোজই পেয়েছেন মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ। যদিও আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সমস্ত প্রাপ্তবয়ষ্ককে টিকাকরণের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কেন্দ্র সরকার।












Click it and Unblock the Notifications