• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কিশোরের দেহ থেকে ২ বছর ধরে ২২ লিটার রক্ত চুষেছে কৃমি, এরপর যা হল

এক ১৪ বছরের কিশোরের দেহ থেকে গত ২ বছর ধরে ২২ লিটার রক্ত চুষে খেয়েছে কৃমি। গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ওই কিশোরের এন্ডোস্কোপি কারনো হয়। পেটের মধ্যে ক্যামেরা প্রবেশ করিয়ে তা নীরিক্ষণ করেন চিকিৎসকরা। দেখা যায়, পেটের একটিভাগ স্বাভাবিক, অন্যভাগটি লাল হয়ে উঠেছে। এরপরই শুরু হয় পরীক্ষা।

কিশোরের দেহ থেকে ২ বছর ধরে ২২ লিটার রক্ত চুষেছে কৃমি, এরপর যা হল

[আরও পড়ুন:মিছিলের অনুমতি দেয়নি পুলিশ, পিছিয়ে যাবেন না জিগনেশও, দিল্লিতে জোর হইচই দলিত নেতার উপস্থিতি ঘিরে]

চিকিৎসা বিজ্ঞানের বহু পরীক্ষার পর জানা যায়, গত ২ বছর ধরে ওই কিশোরের দেহ থেকে কমপক্ষে ২২ লিটার রক্ত চুষেছে কৃমি। বহুদিন ধরে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা মনে করছিলেন যে , ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরের রক্তাল্পতা রয়েছে। তবে ওষুধ দিয়েও রক্তাল্পতা না সারানো যাওয়াতে সন্দেহ হয় চিকিৎসকদের। এরপরই ওই রোগীর মল পরীক্ষা করে দেখা যায়, তাতে রয়েছে কৃমি, যারা সতেজ হয়ে ক্রামগত রক্ত চুষছে রোগীর দেহ থেকে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পেটের যে অংশটি রক্তবর্ণ লাল হয়ে গিয়েছিল, সেই অংশেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল কৃমি। ক্রমাগত রক্ত চুষে ফেলার ফলে, এই কৃমিগুলি লাল বর্ণের হয়ে যায়। আর সেজন্য়ই পেটের ওই অংশটি লাল রঙের মতো মনে হচ্ছিল । উল্লেখ্য়, ওই কিশোরের মধ্যে জ্বর বা কোনও শারীরিক কষ্ট ছিল না, তবে দুর্বলতা প্রবল পরিমাণে দেখা দেয়। তারপরই আবিষ্কার হয় , এই রোগের মূল কারণ। চিকিৎসকরা এজন্য পরামর্শ দিচ্ছেন যাতে, খালি পায়ে হাঁটাচলা না করা হয়। কারণ তার থেকেই এই ধরণের ব্যাধি আসে।

[আরও পড়ুন:এসএমএস বা ফোনে নয়, এলপিজি বুক করুন ফেসবুকে, জেনে নিন কীভাবে]

lok-sabha-home
English summary
When a tiny wireless camera was inserted inside the small intestines of a 14-year-old boy from Haldwani, doctors could see two distinct images. The first half of the intestines appeared normal. But the second half had turned blood red.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more