• search

গ্রেফতার হিজবুল মুজাহিদিন প্রধানের ছেলে, সরকারি চাকরির আড়ালে চলত টেরর ফান্ডিং

  • By Amartya Lahiri
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বৃহস্পতিবার সকালে শ্রীনগরের রামবাগ এলাকা থেকে হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার সৈয়দ সালাহউদ্দিনের ছেলে সৈয়দ শাকিল ইউসেফকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। তার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে সন্ত্রাসবাদীদের তহবিল জোগানের অভিযোগ রয়েছে।

    গ্রেফতার হিজবুল মুজাহিদিন প্রধানের ছেলে, সরকারি চাকরির আড়ালে চলত টেরর ফান্ডিং

    শ্রীনগরের সরকারি হাসপাতাল শের-ই-কাশ্মীরে ল্যাব টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করত শাকিল। কিন্তু ২০১১ সালে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদীদের অর্থ জোগান দেওয়ার মামলা করে এনআইএ। তারা জানিয়েছিল পাকিস্তান থেকে দিল্লী হয়ে বেআইনি পথে জম্মু কাশ্মীরে অর্থ আসত। সেই অর্থ শাকিল কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়েছে।

    সেই কাজে শাকিল যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ করে এনআইএ। তারা আরও জানিয়েছে, কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদী আইজাজ আহমেদ ভাট ওই অর্থ পাঠিয়েছিলেন শাকিলের কাছে। তাদের দাবি, শাকিল, ভাটের ভারতে থাকা বেশ কিছু কনট্যাক্টের মধ্যে অন্যতম।

    [আরও পড়ুন:২০১৯-এর আগেই দলের প্রাক্তন হেভিওয়েট ফিরতে পারেন তৃণমূলে! রাজনৈতিক মহলে জল্পনা]

    এই মামলায় গত জুন মাসে সালাহউদ্দিনের আরেক ছেলে সৈয়দ শাহিদ ইউসেফকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি কাশ্মীরের কৃষি দপ্তরে কাজ করতেন। এদিন সিআরপিএফ ও স্থানীয় পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে শাকিলকে গ্রেফতার করে এনআইএ।

    [আরও পড়ুন: নোট বাতিল ইস্যুতে নতুন করে ঝড় উঠবে সংসদে, কী ইঙ্গিত শিবসেনার]

    সালাহউদ্দিনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্লোবাল টেররিস্ট-এর তকমা দিয়েছে। হিজবুল মুজাহিদিনের প্রধানের পাশাপাশি সে ইউনাইটেড জেহাদ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। এই জঙ্গি জোট কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালায়। ২০১১ সালের ওই মামলায় আরও ৬ জনের নাম রয়েছে এনআইএর চার্জশিটে। এছাড়া আরও একটি মামলায় নাম রয়েছে স্বয়ং সালাহউদ্দিনেরই।

    [আরও পড়ুন:৫০-১০০ টাকার জাল নোটে ছেয়েছে বাজার, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট আরবিআইয়ের ]

    English summary
    Hizbul Mujahideen chief Syed Salahuddin's son arrested by NIA from Srinagar in a terror funding case of 2011.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more