হিন্দুত্বই কাল হল বিজেপির, মুখ ফেরাল ঝাড়খণ্ডের আদিবাসীরা
আদিবাসীরা ফিরিয়ে দিল বিজেপিকে। হিন্দুত্ববাদের জিগির ধোপে টিকল না ঝাড়খণ্ডে।
আদিবাসীরা ফিরিয়ে দিল বিজেপিকে। হিন্দুত্ববাদের জিগির ধোপে টিকল না ঝাড়খণ্ডে। আদিবাসী স্বার্থকে উপেক্ষা করে বিজেপি যে হিন্দুত্ববাদের নীতি নিয়েছিল তার পাল্টা জবাব এল ভোটবাক্সে। কংগ্রেস-জেএমএম জোটের কাছে একেবারে মুখ থুবরে পড়েছে বিজেপি। আদিবাসীরা অমিত শাহদের বুঝিয়ে দিয়েছে তাঁেদর সমস্যাটাই আসল। হিন্দুত্ববাদ পড়ে।

আদিবাসীদের উপেক্ষা হারাল বিজেপিকে
লোকসভা ভোটে দেশাত্মবোধ আর হিন্দুত্ববাদকে আশ্রয় করেই জয় পেয়েছে বিজেপি। কিন্তু বিধানসভা ভোেট যে সেই জাতীয়তাবাদ আর ধর্মের রাজনীতি খুব একটা গুরুত্ব পায় না েসটা বুঝতে পারেননি অমিত শাহরা। তাই ভোটের প্রচারে গিয়ে একের পর এক হিন্দুত্ববাদ নিয়ে হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি। অযোধ্যা গগনচুম্বি রামমন্দির নির্মাণ থেকে শুরু করে এনআরসি, নাগরিকত্ব আইন নিয়ে গলা ফাটিয়েছেন অমিত শাহরা। তার ফল এখন বুঝতে পারছেন মোদী-অমিত শাহরা।

ভোদাভেদের রাজনীতি
২০১৪ সালে মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হিন্দুত্ববাদ নতুন করে জেগে উঠেছে গোটা দেশে। গোরক্ষকদের হাতে সবচেয়ে বেশি ঝাড়খণ্ডে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গোরক্ষকদের হাতে গণপিটুনিতে কমপক্ষে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে শুধুমাত্র ঝাড়খণ্ডে। শুধু তাই নয় গণপিটুনিতে হত্যায় অভিযুক্তদের জামিন পাওয়ার পর যেভাবে তাঁদের মালা পরিয়ে জয়ন্ত সিনহা এবং তাঁর সমর্থকরা উল্লাস করেছেন সেটা সঠিক প্রভাব ফেলেনি সেটা এখন বুঝতে পারছে বিজেপি।

আদিবাসীদের উপেক্ষা
গোটা দেশে জাতীয়তাবাদ, হিন্দুত্ববাদ, ভারতীয় সংস্কৃতি নিয়ে যখন হইহই করেছেন মোদী অমিত শাহরা তখন সেই ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়। তাঁদের যে একটি নিজস্ব সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য রয়েছে সেটা ভুলেই গিয়েছিলেন অমিত শাহরা। এতে নিজেদের উপেক্ষিতই মনে করেছিল আদিবাসীরা। তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় কংগ্রেস-জেএমএম জোটেই ভরসা রেখেছে তারা। এককথায় বলতে গেলে জল, জঙ্গল আর জমিনের স্বার্থ হার েমনেছে বিজেপির হিন্দুত্ববাদের কাছে।












Click it and Unblock the Notifications