• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অসামরিক বিমান চলাচল ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে মোদী সরকার, চার বছরের কাজের হিসেব

মোদী সরকারের দাবি গত চার বছরে বিমানযাত্রা এসে গিয়েছে আমআদমির হাতের মুঠোয়। এ সময়ে ভারতের যেসব শিল্পক্ষেত্রের দ্রুত অগ্রগতি ঘটেছে, সিভিল অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি তার অন্যতম। অসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে এই সরকার বিমানবন্দরগুলির পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, ছোট শহরগুলিতে বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় মানব সম্পদ উন্নয়নের মতো বিষয়গুলিতে জোর দিয়েছে।

মোদীর সরকারের চার বছরের মূল্যায়নে দেখা যাচ্ছে ভারত গত তিন বছরে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অ্যাভিয়েশন মার্কেটে পরিণত হয়েছে। গত তিন বছরে অসামরিক বিমান চলাচলের সংখ্যা বেড়েছে ১৮ থেকে ২০ শতাংশ। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে যাত্রীদের সংখ্যাও। আর এই বৃদ্ধির হার এখনও বজায় রয়েছে। এখন, দেখা যাচ্ছে রেলের এসি কোচে যারা ভ্রমণ করতেন তারা অনেকেই বিমানযাত্রাকে বেছে নিচ্ছেন। রেলের তুলনায় যাত্রী বাড়ছে বিমানের। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক গত চারবছরের অসামরিক বিমান পরিষেবার ক্ষেত্রে এনডিএ সরকার কি কি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে।

উড়ান

উড়ান

২০১৬-র ২১ অক্টোবর অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বা 'উড়ান' প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য কম খরচে ছোট ছোট শহর ও পাহাড়ী অঞ্চলে বিমান সংযোগ স্থাপন করা। মন্ত্রকের দাবি, এই প্রকল্পটি ইতিমধ্যেই বড় সাফল্যলাভ করেছে। দেশের মোট বিমানবন্দরের সংখ্যা প্রায় ১০০ তে পৌঁছে গিয়েছে।

ডোমেস্টিক বিমানবন্দরগুলিকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর

ডোমেস্টিক বিমানবন্দরগুলিকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর

ভোপাল, ইন্দোর ও রায়পুরের ডোমেস্টিক বিমানবন্দরগুলিকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হয়ে ওঠাটা অনেকগুলি বিষয়ের ওপরে নির্ভর করে। পরিকাঠামোগত সম্ভাবনা, আন্তর্জাতিক উড়ান চালনার জন্য বিমান সংস্থাগুলির চাহিদার মতো বিষয় তো আছেই। এছাড়া লাগে, মধ্য ক্ষমতার দূরপাল্লার বিমান অবতরণের উপযুক্ত অন্তত ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়ে, গ্রাউন্ড লাইটিং ফেসিলিটি, রাতে বিমান ওঠানামার জন্য ইন্স্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম এবং কাস্টমস, ইমিগ্রেশন, হেল্থ, প্ল্যান্ট ও অ্যানিম্যাল কোয়ারান্টিন সার্ভিসের মতো সুযোগ সুবিধাও। সেসব দিকে নজর রয়েছে কেন্দ্রের।

দিল্লি, কোচি এবং হায়দরাবাদ এয়ারপোর্ট-এ গ্রীন এনার্জি

দিল্লি, কোচি এবং হায়দরাবাদ এয়ারপোর্ট-এ গ্রীন এনার্জি

দিল্লি, কোচি এবং হায়দরাবাদ মতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলি সম্পূর্ণরূপে সবুজ শক্তিতে চলবে। দিল্লি বিমানবন্দরেই প্রথম ২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। কিন্তু সৌরশক্তির ক্ষেত্রে স্থান সংকুলান একটি সমস্যার বিষয়। সোলার প্যানেলগুলি স্থাপনের মতো যথেষ্ট জায়গা পাওয়া যায় না বিমান বন্দরগুলিতে। তাই কোচিতে বিমানবন্দরের ছাদে সোলার প্যানেল লাগানো হয়। এই বিমানবন্দর এখন ১০০ শতাংশ সৌরশক্তিতে চলে। দিল্লি বিমানবন্দরেও পরবর্তীকালে রানওয়ের পাশ ধরে অতিরিক্ত সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। হায়দরাবাদ এয়ারপোর্টের হাতে অবশ্য যথেষ্ট জমি ছিল। তাই এখানে, এয়ারপোর্টে আসার রাস্তার পাশেই আলাদা সৌর ক্ষেত্র তারি হয়েছে। তবে, ভবিষ্যতে কোচির মতো ছাদেও সৌর প্যানেল লাগানোর কথা রয়েছে।

অসামরিক বিমান চলাচল নীতি

অসামরিক বিমান চলাচল নীতি

দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় অসামরিক বিমান চলাচল নীতি অনুমোদন করেছে মোদী সরকার। এর লক্ষ্য দেশের বিভইন্ন স্থানে বিমান সংযোগ বাড়ানো, নতুন দেশীয় উড়োজাহাজগুলির বিদেশ গমনের অনুমতি লাভের প্রক্রিয়া দ্রুতগামী করা, এবং ইউরোপীয় ও 'সার্ক'-দেশগুলির জন্য ভারতের আকাশসীমা খুলে দেওয়া।

English summary
Air travel became accessible to the Aam Aadmi. Watch other highs in civil aviation during the four years of Modi government.
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X