• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নেহরুর ভুলেই চীনের কাছে পরাজয়, মুখ বাঁচাতে রিপোর্ট 'ব্লক' কেন্দ্রের

  • By Ananya Pratim
  • |
নেহরু
নয়াদিল্লি, ১৮ মার্চ: জওহরলাল নেহরু। হ্যাঁ, জওহরলাল নেহরুর ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই ১৯৬২ সালে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারত। নিশ্চিত হার জেনেও ব্যর্থ যুদ্ধে প্রাণ দিতে হয়েছিল কয়েক হাজার জওয়ানকে। ভারত-চীন যুদ্ধের ওপরে তৈরি অতি গোপনীয় হেন্ডারসন ব্রুকস-পি এস ভগত রিপোর্ট থেকেই জানা যাচ্ছে এই তথ্য। ভারতে নিষিদ্ধ হলেও তা নিজের ওয়েবসাইটে আপলোড করে দিয়েছেন অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক নেভিল ম্যাক্সওয়েল। এর জেরে বিব্রত ইউপিএ সরকার তড়িঘড়ি 'ব্লক' করে দিয়েছে ওই সাংবাদিকের ওয়েবসাইট!

১৯৬২ সালের এক মাসব্যাপী যুদ্ধে চরম পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারত। ২০ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হয়। ওয়েস্টার্ন সেক্টর অর্থাৎ লাদাখের বিপুল অংশ চলে যায় চীনের দখলে। সেই দখলদারি আজও মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। আর ইস্টার্ন সেক্টর অর্থাৎ অরুণাচলপ্রদেশে বমডিলা পর্যন্ত চলে এসেছিল চীনের সেনা। ২০ নভেম্বর আচমকা এক তরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে চীন। যদি তেমনটা না ঘটত, তা হলে কী হত বলা মুশকিল! কারণ যে গতিতে চীন এগোচ্ছিল, তাতে গোটা অসম, পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশও তাদের হস্তগত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। যুদ্ধে হেরে গিয়ে ভারতের সম্মান ধুলোয় মিশে যায়।

যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর লেফটেন্যান্ট জেনারেল হেন্ডারসন ব্রুকস এবং ব্রিগেডিয়ার পি এস ভগতকে দায়িত্ব দেওয়া হয় পরাজয়ের কারণ খতিয়ে দেখতে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এমন তদন্তকারী কমিটি গঠনের বিরোধী ছিলেন। কিন্তু ১৯৬২ সালের শেষে সেনাধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব নেন বঙ্গসন্তান জয়ন্তনাথ চৌধুরী। মূলত তাঁর পীড়াপীড়িতেই তদন্ত চলে এবং রিপোর্ট জমা পড়ে। এই রিপোর্টই 'হেন্ডারসন ব্রুকস-পি এস ভগত রিপোর্ট' নামে পরিচিত।

১৯৬২ সালের এক মাসব্যাপী যুদ্ধে পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারত

রিপোর্টটি জমা পড়ার পরই চেপে দেয় সরকার। বারবার দাবি ওঠে রিপোর্ট প্রকাশ করার। ২০১০ সালের এপ্রিলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, "রিপোর্টটি যে শুধু চরম সংবেদনশীল তাই-ই নয়, এর কার্যকারিতা এখনও রয়ে গিয়েছে।" বোঝাই গিয়েছিল, নিজেদের পূর্বসূরীদের ব্যর্থতা ঢাকতে এটা প্রকাশ করতে চায় না কংগ্রেস।

কিন্তু সূত্র মারফত কোনওভাবে সম্প্রতি রিপোর্টটি হাতে পান নেভিল ম্যাক্সওয়েল। ১৯৬২ সালে যুদ্ধের সময় তিনি দিল্লিতে সাংবাদিকতা করতেন। নিজের ওয়েবসাইটে তা আপলোড করে দেন। তিনি লিখেছেন, "দ্য রিপোর্ট ডিসকাসেস হাউ দ্য আর্মি ওয়াজ অর্ডার্ড টু চ্যালেঞ্জ দ্য চাইনিজ মিলিটারি টু আ কনফ্লিক্ট ইট কুড অনলি লুজ" অর্থাৎ, হার নিশ্চিত জেনেও চীনের ফৌজকে মোকাবিলা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সেনাকে। রিপোর্টে পরিষ্কারভাবে জওহরলাল নেহরুর 'ফরওয়ার্ড পলিসি' অর্থাৎ এগিয়ে গিয়ে হামলা শানানো, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ভুল নীতিকে দায়ী করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর কীভাবে জওহরলাল নেহরু দেশের প্রতিরক্ষাকে শুধু অবহেলা করে পঙ্গু করে দিয়েছিলেন, তা ফুটে উঠেছে ওই রিপোর্টে।

রিপোর্টটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তেই হইচই শুরু হয়। লোকসভা ভোটের আগে পাছে বিজেপি ফায়দা তোলে, সেই ভয়ে কেন্দ্রের নির্দেশে 'ব্লক' করে দেওয়া হয়েছে ওই সাংবাদিকের ওয়েবসাইট। মঙ্গলবার অরুণাচলপ্রদেশে গিয়ে সভা করেছেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু এ নিয়ে একটাও শব্দ উচ্চারণ করেননি।

lok-sabha-home
English summary
Henderson Brooks Report published online, Centre soon blocked it
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more