স্বস্তি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর, কয়লা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে গৃহীত হাইকোর্টের বিরুদ্ধে করা পিটিশন
কিছুটা হলেও স্বস্তি পেলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তিনি বেআইনি কয়লা খনন মামলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে রায় শুনিয়েছিল ঝাড়খণ্ড আদালত। এর রায়কে চ্যালেঞ্জ করলেন হেমন্ত। তিনি ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করেছিলেন পিটিশন। সেই পিটিশন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আর এতেই আপাত স্বস্তি পেলেন তিনি।

কয়লা খনি সংক্রান্ত তহবিল
হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে কয়লা খনি সংক্রান্ত তহবিল তছরুপের অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে মামলা শুরু হয়েছিল আদালতে। আর কয়লা যেহেতু সাধারণ মানুষের ব্যাবহারের জিনিস তাই তাতে জনগনের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে তাই তার বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তাই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল ঝাড়খণ্ডের আদালত রাজ্যেরমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। হাইকোর্টের রায়ের বিরোধিতা করেছিলেন হেমন্ত, যা স্বাভাবিক। সুপ্রিম কোর্ট সেই মামলা গ্রহণ করেছে। তার করা পিটিশনকে স্বাগত জানিয়েছে। এতেই স্বস্তিতে হেমন্ত সোরেন। তিনি এই স্বস্তি পেয়ে টুইট করে লিখেছেন যে, 'সত্যমেব জয়তে'।

মামলা
এই মামলা মূলত দায়ের করেছিল বিজেপি। লক্ষ্য সরকার ফেলে দেওয়া। কোনওভাবে মুখ্যমন্ত্রির নামে এই কেচ্ছা হলেই তার পদ খারিজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাউ সেই পথে বেছে নেয় তাঁরা। এমন গুরুতর অভিযোগের জন্য বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল হেমন্তের।

খনি খাদান লিজ নেওয়া
বেআইনিভাবে খনি খাদান লিজ নেওয়ার মামলায় তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল ইডি। বৃহস্পতিবার রাঁচিতে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু ইডির সমন উপেক্ষা করেই হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। শুধু হাজিরা এড়াননি ইডিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। হেমন্ত সোরেন বলেছেন, ইডির সমন পাওয়ার আগেই ছত্তিশগড়ে কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। সেটাই আগে। ইডি হাজিরা না দিয়ে যদি বড় কোনও অপরাধ হয়ে থাকে তো গ্রেফতার করে দেখাক।
ইডির হাজিরা এড়িয়ে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, গ্রেফতার করুক আমাকে যদি ইডির হাজিরা এড়িয়ে কোন অপরাধ করি । "

কয়লা খনি লিজে
হেমন্ত সোরেন নাকি কয়লা খনি লিজে নিয়েছিলেন ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন। বিজেপির অভিযোগ ছিল এমনটাই। এমন অভিযোগে তৎপর হয় নির্বাচন কমিশন। তাঁদের তরফে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপালকে বলা হয় যে তিনি যেন যত দ্রুত সম্ভব হেমন্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। তবে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল রমেশ বাইস এখনও চুপ আছেন এই বিষয়ে। তিনি এমন নীরব হয়ে আছেন যে চমকে যান হেমন্ত নিজেও। তিনি নিজেই কমিশনের পাঠানো 'খাম' দ্রুত খোলার আবেদন জানান।












Click it and Unblock the Notifications