• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

'হালুয়া খাওয়া চলবে তো?' দূষণ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গাজর খাওয়ার উপদেশে প্রশ্ন নেটিজেনদের

দূষণ থেকে বাঁচতে গাজর খাওয়ার নিদান দিয়েছিলেন গাজর খাওয়ার। আর এরপর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের সেই উপদেশে প্রশ্ন তুলে দিলেন নেটিজেনরা। ক্রমশই বাড়ছে দিল্লিতে বায়ুদূষণের মাত্রা। দিল্লির দূষণ নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে রাজধানীর বাসিন্দারা। গতকাল এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিমকোর্টও।

স্বাস্থমন্ত্রীর গাজর খাওয়ার উপদেশ দেন

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইট রাইট ইন্ডিয়া হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে গতকাল একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, গাজর খেলে শরীরে ভিটামিন এ, পটাসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস বাড়ে। নাইট ব্লাইন্ডনেস রোগ থেকে বাঁচতা সাহায্য কের এটা। গাজর দূষণজনিত শারীরিক ক্ষতির বিরুদ্ধেও কার্যকরী।

গাজর খাওয়ার উপদেশে নেটিজেনদের কটাক্ষ

গাজর খাওয়ার উপদেশে নেটিজেনদের কটাক্ষ

এই টুইটের পরেই শুরু হয়ে যায় নেটিজেনদের পাল্টা টুইট। দিল্লির দূষণ থেকে বাঁচতে মন্ত্রীর এহেন উপদেশ মোটেই ভালভাবে নেননি নেটিজেনরা। মন্ত্রীর উপদেশ দেখে একজন টুইট করেন, 'এর মানে সরকার কি বলতে চাইছে দূষণ রোধ করতে পারব না, আপনারা গাজর খান?' আরেকজন লেখেন, 'গাজর খেয়ে চোখ ভাল হলে ধোঁয়ায় অন্ধকারাচ্ছন্ন দিল্লিকেও উজ্জ্বল মনে হবে।' আরেকজন গাজরে নাক-কান বন্ধ হওয়ার মিম পোস্ট করেন। একজন রসিকতা করে জিজ্ঞেস করেন, 'গাজরের হালুয়া খেলে চলবে?' এছাড়া অজস্র ব্যঙ্গাত্মক মিমও তৈরি হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পোস্ট নিয়ে।

দূষণে নাজেহাল দিল্লিবাসী

দূষণে নাজেহাল দিল্লিবাসী

গত ১৭ দিন ধরে দিল্লির বাতাসের মান বিপজ্জনক পর্যায়ের উপরে রয়েছে। রবিবার দিল্লিতে জনস্বাস্থ্যের জরুরী অবস্থা জারি করতে হয়েছে। এই সময়ে হর্ষবর্ধনের এই টুইট মোটেই ভালভাবে নিতে পারেননি নেটিজেনরা। এই কারণেই ব্যঙ্গে কটাক্ষে তারা মন্ত্রীকে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

English summary
Health Minister Harsh Vardhan trolled by netizens after he adviced to have carrots to counter delhi air pollution
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more