• search

কর্ণাটকে কুমারস্বামীর আস্থা ভোটের আসরে বিজেপি ছুঁড়ল পাল্টা রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘ নাটকীয়তা পেরিয়ে শেষমেশ কর্ণাটক পেয়েছে মুখ্যমন্ত্রী। আর আজ জেডিএস কংগ্রেস জোটের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী বিধানসভায় জিতলেন আস্থাভোট। ১১৭ জন বিধায়ক তাঁর সমর্থনে ভোট দেন। ফলে সহজেই কুমারস্বামী সরকার পেরিয়ে যায় ম্যাজিক ফিগার। এদিকে, পাল্টা চালে নতুন সরকারকে চাপে ফেলতে উদ্যোগী হতে দেখা গেল বিজেপিকে।

    কর্ণাটকে কুমারস্বামীর আস্থা ভোটের আসরে বিজেপি ছুঁড়ল পাল্টা রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    এদিন, সভা শুরু হতেই বিজেপির তরফে ইয়েদুরাপ্পা ক্রমাগত আক্রমণ শানাতে থাকেন জেডিএস ও কংগ্রেসের দিকে। তাঁর দাবি ছিল, জেডিএস-র তরফে কুমারস্বামী ও দেবেগৌড়া একদিন শেষ করে দেবেন কংগ্রেসকে। কংগ্রেস এ জেডিএস-র সঙ্গে এদিন উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হতে দেখাযায় বিজেপির বিধায়কদের এরই মধ্যে কৃষক ইস্যুতে সরব হয়ে ওঠে বিজেপি। বিজেপি-র তরফে পাল্টা দাবি করা হয়, যদি কৃষিঋণ মুকুব না করে কুমারস্বামী সরকার , তাহলে ২৮ তারিখ কর্ণাটক জুড়ে বনধ্ পালন করবে বিজেপি। আগামী ১৮ মে বনধের ডাক দিয়েই বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা।

    এদিকে, কংগ্রেসের দাবি এভাবে 'ব্ল্যাকমেল রাজনীতি' করে পার পাবে না পদ্মশিবির। কুমারস্বামী আস্থাভোট জিতে যাওয়ার পর,কংগ্রেসের বিধায়ক ডিকে শিবকুমার বলেন, ২৮ তারিখ বনধ ডেকে বিজেপি চাইছে জনগণের টাকা বরবাদ হোক। যদি কোনও রকমের আইনি বিপর্যয় সেদিন তৈরি হয়, তাহলে তার জন্য দায়ী থাকবে বিজেপি। এভাবে কোনও সরকাকে কোনও বিষয়ে জোর করা যায় না বা ব্ল্যাকমেল করা যায় না। এছাড়াও শিবকুমার জানান, কংগ্রেস-জেডিএস সরকার বিজেপি-র ইচ্ছেমত কাজ করবে না।

    [আরও পড়ুন:দেশের কোন অংশে বিজেপি সবচেয়ে দুর্বল, কী বলছে সিএসডিএস-লোকনীতি সমীক্ষা ]

    English summary
    HD Kumaraswamy Wins Vote of Confidence bu BJP started paying Bandh Politics in Karnataka .

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more