নির্যাতিতার দেহ কেন মধ্যরাতের মধ্যেই পোড়ানো হল! উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে চিঠি মহিলা কমিশনের
উত্তরপ্রদেশের নির্যাতিতা শেষবার জানিয়েছিলেন যে তিনি ঘরে ফিরবেন। ফিরলেন, কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। গ্রামে ফিরেছে তাঁর নিথর দেহ। আর গ্রামে তা ফিরতেই ২ ঘণ্টার মধ্যে দেহ সৎকার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। এরপরই সরব হয়েছে গোটা দেশ। উঠছে ক্ষোভের আগুন।

মহিলা কমিশনের প্রশ্ন
উত্তরপ্রদেশ ডিজিপিকে একটি চিঠি দিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে যে, কেন সেদিন রাতারাতি ওই ধর্ষিতা দলিত মহিলাকে সৎকার করতে উদ্যোগ নেয় পুলিশ? এই বিষয়টি নিয়ে মহিলা কমিশনের প্রশ্ন ছিল, নির্যাতিতার পরিবারের অনুস্থিতিতেই কেন দেহ সৎকার করা হল?

পুলিশের দাবি
এদিকে, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবারের মত নিয়েই সৎকার হয়েছে। উল্লেখ্য, জানা গিয়েছে, পরিবার মেয়ের মরদেহকে শেষবারের জন্য বাড়িতে নিয়ে আসার আর্জি জানিয়েছিল। কিন্তু ধর্ষণের পর, মেয়ের মৃত্যুর পর, ঘরের মেয়েকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। নির্যাতিতার বাড়িতে মরদেহ রাখা হয়নি। এই সমস্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মহিলা কমিশন।

ধর্ষণই হয়নি.. দাবি পুলিশের!
এদিক, পুলিশের তরফে দাবি করা হচ্ছে, আলিগড় হাসপাতাল থেকে যে রিপোর্ট এসেছে ওই দলিত নির্যাতিতা মহিলা সম্পর্কে , তাতে আপাতত দেখা যাচ্ছে ধর্ষণই হয়নি মহিলার। এছাড়াও রিপোর্টে বলা হচ্ছে, মহিলার সঙ্গে জোর কের কোনও যৌন আচরণ করা হয়নি।

পোস্ট মর্টেম কী বলছে?
পুলিশ আপাতত ফরেন্সিকের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে। এদিকে, পোস্ট মর্টেমের রিপোর্ট বলছে, নির্যাতিতার শিরদাঁড়া ভেঙে দেওয়া হয়। তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করার চেষ্টা করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications