ব্যাপক পরিমাণে এইচ–১বি ভিসার আবেদন বাতিল, সমস্যায় ভারতের আইটি কর্মীরা
ব্যাপক পরিমাণে এইচ–১বি ভিসার আবেদন বাতিল, সমস্যায় ভারতের আইটি কর্মীরা
ডোনাল্ড ট্রাম্প শাসিত মার্কিন প্রশাসন বিপুল সংখ্যক ২০১৯–২০২০ সালের তৃতীয় পর্যায়ের এইচ–১বি ভিসার অনুমোদন প্রত্যাখান করায় বিপাকে পড়তে চলেছে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদরা।

এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে, মার্কিন নাগরিক ও অভিবাসন পরিষেবা বিভাগ (ইউসিআইএস) প্রচুর এইচ–১বি ভিসার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আমেরিকান পলিসির (এনএফএপি) সমীক্ষায় উঠে এসেছে, এইচ–১বি ভিসা পিটিশন খারিজ হওয়ার হার বেড়ে যাওয়ার কারণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কর্মীদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। ২০১৫ সালের আর্থিক বছরে ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৯ সালের আর্থিক বছরে তা হয়েছে ২৪ শতাংশ। সংক্ষিপ্তভাবে বলা চলে, ২০১০ সালের আর্থিক বছর থেকে ২০১৫ সালের আর্থিক বছরে এইচ–১বি ভিসা প্রত্যাখানের হার তিনগুণ বেড়েছে।
জানা গিয়েছে, আমেরিকার শীর্ষ সংস্থার কর্মীদেরই ভিসার আবেদন খারিজ করা হয়েছে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্মীদের ওপরই এই খাড়া নেমে এসেছে। এএনএফপির সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২৭ টি সংস্থার এইচ–১বি ভিসার আবেদন খারিজের মধ্যে ১২টি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা রয়েছে। এই সমস্ত আইটি সংস্থাগুলি ২০১৯–২০ সালের প্রথম তিনটি পর্যায়ের মধ্যে ৩০ শতাংশেরও বেশি ভিসার আবেদন খারিজের সম্মুখিন হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ২০১৫–১৬ সালে এই সংস্থাগুলির ভিসা আবেদন খারিজের হার সাত শতাংশ ছাড়ায়নি। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ইউসিআইএস এইচ–১বি ভিসার অনুমোদনের আইনকে আরও কঠিন করে দিয়েছে। ভিসা আবেদনের সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রমাণ না দিলে সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হবে।
এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে প্রভাব ফেলবে ভারতীয় প্রযুক্তি কর্মীদের ওপর। প্রায় ৭০ শতাংশ কর্মী এইচ–১বি ভিসার অধিকারী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত কগনিজেন্ট, অ্যাসসেনচার, ক্যাপজেমিনি, উইপ্রো এবং ইনফোসিসের মতো ভারতের শীর্ষ সংস্থার বেশিরভাগ কর্মীদেরই এইচ–১বি ভিসার আবেদন খারিজ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া অভিবাসন নীতিতে এইচ–১বি ভিসার তীব্রহারে হ্রাস অবশ্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মানানসই। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এইচ–১বি ভিসার আবেদন ব্যাপক পরিমাণে খারিজ হওয়ায় তার প্রভাব পড়বে প্রতিষ্ঠিত তথ্য–প্রযুক্তি সংস্থাগুলির ওপর।












Click it and Unblock the Notifications