চোখ রাঙানো করোনা এবং ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রুখতে জিএসটি'র বৈঠকে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্মলার
দেশজুড়ে এখনও চোখ রাঙাচ্ছে করোনার সংক্রমণ! অক্সিজেন থেকে শুরু করে একাধিক চিকিৎসা সামগ্রীর অভাব এখনও রয়েছে দেশে। এখনও বহু ওষুধ আসছে বাইরে থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলি না পাওয়ার জন্যে মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে।
দেশজুড়ে এখনও চোখ রাঙাচ্ছে করোনার সংক্রমণ! অক্সিজেন থেকে শুরু করে একাধিক চিকিৎসা সামগ্রীর অভাব এখনও রয়েছে দেশে। এখনও বহু ওষুধ আসছে বাইরে থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলি না পাওয়ার জন্যে মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে।

এই অবস্থায় জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের পর একাধিক চিকিৎসা সামগ্রীর উপর থেকে কর তুলে নিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। দেশজুড়ে যখন করোনার সেকেন্ড ওয়েভ চলছে তখন এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একাধিক চিকিৎসা সামগ্রী আমদানি করতে আর কর দিতে হবে না।
জিএসটি কাউন্সিলের ৪৩ তম বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, আগামী ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত ত্রাণের কাজে আসা কোনও সামগ্রীর ক্ষেত্রে জিএসটি ধার্য করা করা হবে না।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কেনা হোক বা অনুদানে পাওয়া হোক, ত্রাণ অথবা চিকিৎসার কাজে ব্যবহার হওয়া কোনও পণ্যের উপর আমদানি কর নেওয়া হবে না আগামী ৩ মাস। তবে করোনা চিকিৎসার কোন কোন জিনিসের উপর থেকে কর ছাড় দেওয়া হবে তা বিশদে এখনও জানানো হয়নি। সূত্রের খবর, সেই বিষয়ে তালিকা খুব তাড়াতাড়ি বিজগপ্তি দিয়ে জানানো হবে।
অন্যদিকে, বৈঠকের পর করোনা এবং ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসার ওষুধের ক্ষেত্রে কার্যকর থাকা জিএসটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একদিকে দেশজুড়ে যখন করোনার বাড়বাড়ন্ত তৈরি হয়েছে অন্যদিকে ক্রমশ মহামারীর আকার নিয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও।
আর এভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বহুল ব্যবহৃত ওষুধ 'অ্যাম্ফোটেরিসিন বি'-কেও জিএসটি মুক্ত করার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। এ বাদেও কোভিড চিকিৎসায় ব্যবহার হওয়া বহু সামগ্রীকে জিএসটি-র আওতা থেকে বাইরে নিয়ে আসা হয়েছে। উল্লেখ্য করোনা কালে মেডিকেল সরঞ্জামের উপর থেকে জিএসটি ছাড়ের দাবি জানিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
সেই একই দাবিতে সরব হিয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। এমনকী করোনাকালে একগুচ্ছ মেডিকেল সরঞ্জামের উপর লাগামছাড়া জিএসটি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এদিন রীতিমতো তোপও দাগেন তিনি।দেশের এই ভয়াবহ সঙ্কটের সময় সরকারে এই মুনাফা লাভের প্রচেষ্টা অমানবিক বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
মহামারিকালে কোনও সরকার এই রকম নিষ্ঠুতা দেখাতে পারে তা ভাবনারও অতীত বলে তীব্র সমালোচনাও করেন তিনি। বলা প্রয়োজন, শেষবার ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর বৈঠকে বসেছিল জিএসটি কাউন্সিল।
এমন পরিস্থিতিতে কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক জানায়, আগামী ২৮ মে বৈঠকে বসছে কাউন্সিল। এদিকে ৯ মে এই বিষয়েই আলোচনা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সেই সময়ে করোনা মোকাবিলার সামগ্রীতে জিএসটি তোলার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হতে পারে বলে জানান তিনি।
তবে সমস্ত সমস্যা কাটিয়ে বৈঠকে একগুচ্ছ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন নির্মলা সীতারামন।












Click it and Unblock the Notifications