• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    বাবাকে গাছে বেঁধে তাঁর সামনেই মা ও কিশোরী মেয়েকে গনধর্ষণ!

    বাবাকে গাছে বেঁধে ১৫ বছেরর মেয়ে ও তার মাকে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গনধর্ষণ করল একদল যুবক। ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বেশি রাতে, বিহারের গয়া জেলায়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ২০ জন যুবককে ইতিমধ্যে আটক করেছে পুলিশ। কর্তব্যে গাফিলতির কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে কোঞ্চ থানার এসএইচও-কে।

    বাবাকে গাছে বেঁধে মা ও কিশোরী মেয়েকে গনধর্ষণ!

    বিহারের পাটনা জোনের আইজি নাইয়ার হাসনাইন খান জানিয়েছেন কোঞ্চ থানা এলাকার সন্দিহা গ্রামের ভেতর দিকে বুধবার স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে মোটর বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন এক ব্যক্তি। অভিযোগ সন্দিহা গ্রামের ভেতরেই ওই সশস্ত্র যুবকের দল তাদের পথ আটকায়। প্রথমে এই ব্যাক্তিকে একটি গাছের সঙ্গে শক্ত করে বাঁধা হয়। তারপর তার সামনেই প্রথমে তাঁর স্ত্রী, পরে তাঁর নাবালিকা মেয়েকে পালা করে ধর্ষণ করে ওই দুষ্কৃতীরা।

    এদিন ওই ঘটনার কথা জানার পরই তৎপড় হয় পুলিশ। আটক ২০ জনের মধ্য থেকে আক্রান্তরা দুজনকে ঘটনায় জড়িত ছিল বলে চিহ্নিত করেছেন। বাকিদের খোঁজ চলছে। তদন্তে পুলিশ জেনেছে, ওই রাতে আরও একটি অপরাধের ঘটনাতেও জড়িত ছিল ওই যুবকের দল। জানা যায় ধর্ষণ কাণ্ডের কিছু আগেই এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন দুই ছাত্র। অস্ত্র দেখিয়ে তাদেরও মোবাইল সহ টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এদিকে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে কোঞ্চ থানার হাউস স্টেশন অফিসারের বিরুদ্ধেও। তাকে সাসপেন্ড তো করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    English summary
    A group of armed youths tied a man to a tree and raped his wife and 15-year-old daughter in Bihar's Gaya district on Wednesday night.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more