• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের আর্থিক অবস্থার মান পড়ার জন্য কেন্দ্র সরকারই দায়ী : গীতা গোপীনাথ

আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের আর্থিক মান পড়ার জন্য কেন্দ্র সরকারই দায়ী। এমনই অভিযোগ করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ। আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের অর্থিক অবস্থার মান ৮০ শতাংশ পড়েছে। বিনিয়োগ ছাড়া এই পরিস্থিতি থেকে ভারতের বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়।

ভারতের আর্থিক মান পড়ছে

ভারতের আর্থিক মান পড়ছে

আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের আর্থিক মান পড়তে পড়তে তলানিতে এসে ঠেকেছে। ২০১৯ সালে ভারতের আর্থিক মান ২.৯ শতাংশতে এসে ঠেকেছে। ২০২০ সালের জন্য ভারতের আর্থিক নান ৩.৩ ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। সংস্থার প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ দাবি করেছেন, ভারতের এই আর্থিক পরিস্থিতির জন্য সরকারের নীতি।

ভারতের বিনিয়োগ জরুরি

ভারতের বিনিয়োগ জরুরি

ভারতের এই আর্থিক পরিস্থিতি থেকে একমাত্র বিনিয়োগই বাঁচাতে পারে। বিপুল পরিমান বিনিয়োগ না এলে দেশের আর্থিক অবস্থা ফেরানো সম্ভব নয়। অথচ ২০২০ সালে ভারতের আর্থিক মান ৫.৮ ধার্য করা হয়েছিল। সেটা থেকে কমিয়ে ৩.৩ শতাংশ ধার্য করা হয়েছে।

সরকারই দায়ী

সরকারই দায়ী

ভারতের এই আর্থিক মান পতনের জন্য সরকারকেই দায়ী করেছেন গীতা গোপীনাথ। বিমুদ্রাকরণের প্রভাব যে প্রকট আকারে ধরা পড়েছে গীতা গোপীনাথ সেটা স্পষ্ট করে গিয়েছেন। এই প্রথম আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিমুদ্রাকরণ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হল মোদী সরকারকে। যদিও গীতা গোপীনাথ জানিয়েছেন কর্পোরেট ট্যাক্স কমনো থেকে শুরু করে একাধিক পদক্ষেপ করছে মোদী সরকার। আশা করা যায় ২০২০ সালে ভারতের আর্থিক পরিস্থিতি কিছুটা হলেও উন্নত হবে।

অনুকূল ঠাকুরকে স্কুল সিলেবাসে রাখার আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি

কেন গীতা গোপীনাথকে সাবধান করলেন চিদাম্বরম?

English summary
Government is responsable for economic condition of India, says Gita Gopinath
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more