• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

লক্ষ্যপূরণে ব্যর্থ সরকার, একমাসের ফারাকেই ৮৪ শতাংশ পর্যন্ত কমল টিকাকরণের পরিমাণ

  • |
Google Oneindia Bengali News

বেলাগাম কোভিডে রাশ টানার ক্ষেত্রে প্রয়োজন কোভিড বিধি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলা। পাশাপাশি টিকাকরণের ক্ষেত্রেও যে দ্রুত এগোতে হবে প্রশাসনকে, তা স্বীকার করে নিয়েছিল কেন্দ্র। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৫ই এপ্রিল দেশে রেকর্ড ৪৩,০০,৯৬৬ জনের টিকাকরণ হয়। গত পয়লা মে থেকে আঠারোর্ধ্ব নাগরিকদের টিকা দেওয়া শুরু হয় দেশজুড়ে। কিন্তু টিকাকরণের ক্ষেত্রে গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী না হয়ে চোখে পড়ছে উল্টোটাই। ৯ই মে টিকাকরণ হয়েছে ৬,৮৯,৬৫২ জনের, অর্থাৎ টিকাকরণে পারাপতন হয়েছে প্রায় ৮৪%!

লক্ষ্যমাত্রা বাড়লেও বাড়ছে না টিকা সরবরাহের পরিমাণ

লক্ষ্যমাত্রা বাড়লেও বাড়ছে না টিকা সরবরাহের পরিমাণ

গত এপ্রিলে কেন্দ্রের লক্ষ্য ছিল দেশের ৪৫ ঊর্ধ্বের ৩৪.৫ কোটি নাগরিকের টিকাকরণ। যদিও এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে টিকাকরণের গ্রাফ প্রায় পাতালে পৌঁছেছে। এহেন অবনমনের কারণ হিসেবে রাজ্যগুলি দায়ী করেছে টিকার অপর্যাপ্ততাকে। দুই ডোজের কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্ষেত্রে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের প্রায় ৯৪ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার কথা, যার মধ্যে মাত্র ৩.৫৭ কোটি নাগরিককে এখনও অবধি টিকা দিতে পেরেছে সরকার। এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র প্রথম ডোজ পেয়েছেন প্রায় ১৩.৪৪ কোটি নাগরিক। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে যে বিপুল ১৮৮ কোটি ডোজ প্রয়োজন, সেই চাহিদা পূরণ হবে কীভাবে তার উত্তর নেই কারোর কাছেই।

অক্টোবরেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ!

অক্টোবরেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ!

করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাজেহাল অবস্থা ভারতের। স্বাস্থ্য থেকে অর্থনীতি, ধাক্কা খেয়ে সকল আর্থ-রাজনৈতিক কাঠামোই। এহেন অবস্থায় আশঙ্কা বাড়াল আইআইটি কানপুরের গবেষণা। আগামী অক্টোবরে ভারতে আছড়ে পড়তে পারে অতিমারীর তৃতীয় ঢেউ, মত গবেষকদের। এমতাবস্থায় সহজ গণিতের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান দেখিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অক্টোবরের আগে পর্যন্ত প্রত্যেক মাসে প্রায় ১৭.৫ কোটি নাগরিকের জন্য ৩৫ কোটি ডোজ বরাদ্দ করতে পারলেই যে অনেকটা সুরক্ষিত হবে জনজীবন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করেছেন করোনাবিদরা।

 গোষ্ঠী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তৎপর বিজ্ঞানীরা

গোষ্ঠী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তৎপর বিজ্ঞানীরা

ভারতে তৃতীয় ঢেউয়ের আগমনের আগেই গোষ্ঠী প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টায় দিনরাত এক করে দিচ্ছেন গবেষকরা। এ মাস থেকে শুরু করে প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি নাগরিককে দু'ডোজের টিকা দিতে হবে, সেক্ষেত্রে পাঁচমাসে প্রয়োজন হবে ১২০ কোটি ডোজের। যদিও এখানে বাধ সাধছে নানান সমস্যা। গত এপ্রিলে যেখানে প্রত্যহ টিকাকরণের গড় ছিল ৩০ লক্ষ ডোজ়, সেখানে মে মাসের গত ৯ দিনে গড় নেমে এসেছে ১৬.৮৭ লক্ষ ডোজ়ে। স্বাভাবিকভাবেই এরকম গতিতে ভ্যাকসিনেশন হলে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো যে কার্যত অসম্ভব, সে সম্বন্ধে সাবধান করছেন মহামারী বিশেষজ্ঞরা।

করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ থেকে রেহাই নেই কারোর, দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে মৃত্যু শিক্ষাবিদদেরকরোনার দ্বিতীয় ওয়েভ থেকে রেহাই নেই কারোর, দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে মৃত্যু শিক্ষাবিদদের

 এপ্রিলে ৩ কোটি, মে মাসে ১ কোটি!

এপ্রিলে ৩ কোটি, মে মাসে ১ কোটি!

৪৫ বছরের উর্দ্ধে সকল নাগরিকদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরই এপ্রিলের প্রথম ৯ দিনে টিকাকরণ হয় ৩,২৯,৫৭,২৬৪ জনের। অন্যদিকে মে মাসের প্রথম ৯ দিনে এখনও পর্যন্ত টিকাকরণ হয়েছে মাত্র ১,৫১,৮৬,৯৬৮ জনের। কেন্দ্র-রাজ্যের শত চেষ্টাতেও কেন বাড়ছে না টিকাকরণের মাত্রা? প্রশ্ন উঠছে একাধিক। এহেন সমস্যার পিছনে কেন্দ্রের টিকা নীতিকেই দায়ী করছেন অনেকে, যদিও কারণ যাই হোক না কেন! ৩য় ঢেউয়ের আগে গোষ্ঠী প্রতিরোধ গড়ে না উঠলে যে করোনা বিস্ফোরণ ঘটবে দেশে, তা বলাই বাহুল্য।


English summary
Vaccination rates in India have dropped by 84 per cent in a month
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X